চুল কেন কোঁকড়ানো বা সোজা হয়, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা মিলল
চুলের আকৃতি মূলত নির্ভর করে এর উপাদানে থাকা সালফার পরমাণু-বন্ধনের সংখ্যার ওপর। কেরাটিন প্রোটিন এবং জিনগত কারণেও চুলের ধরনে ভিন্নতা আসে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

মানুষের চুল কেন কোঁকড়ানো বা সোজা হয়, তার একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে। মূলত চুলের বিশেষ উপাদানের গঠন এবং বিন্যাসের ওপরই এর আকৃতি প্রধানত নির্ভর করে।
আমাদের চুলে কেরাটিন নামক একধরনের প্রোটিন থাকে। এই প্রোটিনটি চুলের গোড়ার থলি বা গ্রন্থি থেকে তৈরি হয়, যা চুলের মূল গঠন তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখে।
চুলের আকৃতি নির্ধারণের মূল চাবিকাঠি হলো সালফার পরমাণু-বন্ধন। দুটি সালফার পরমাণু যুক্ত হয়ে এই বন্ধনী সৃষ্টি করে। বৈজ্ঞানিক তথ্যানুযায়ী, এ রকম বন্ধনীর সংখ্যা যত বেশি থাকে, চুল তত বেশি কোঁকড়ানো আকার ধারণ করে।
শুধু রাসায়নিক বন্ধনই নয়, এর পেছনে জিনেরও ভূমিকা রয়েছে। ২০০৯ সালে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, কোঁকড়ানো চুলের ক্ষেত্রে দেহকোষের এক বিশেষ ধরনের জিনও কিছু অবদান রাখে।
বংশগত বা জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণেও এটি পরবর্তী প্রজন্মে প্রবাহিত হয়। কারও কোঁকড়ানো চুল থাকলে, তার ছেলেমেয়েদেরও কোঁকড়া চুল হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত রয়েছে বলে দ্য গার্ডিয়ান সূত্রে জানা গেছে।
সব মিলিয়ে প্রোটিন, সালফার পরমাণু-বন্ধন এবং জিনগত বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়েই মানুষের চুল সোজা বা কোঁকড়ানো হয়ে থাকে। বিজ্ঞানীদের দীর্ঘ গবেষণায় চুল নিয়ে এই তথ্যগুলো নিশ্চিত করা হয়েছে।








