আমরা কীভাবে যাচাই করি
একটি রায় যতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটি কীভাবে এল তা জানাও ততটাই। আমাদের পুরো প্রক্রিয়া এখানে খোলাসা করা হলো, যাতে আপনি চাইলে নিজেই আমাদের কাজ যাচাই করতে পারেন।
- 1
কোন দাবি আমরা নিই
যাচাই করা যায় এমন তথ্যগত দাবিই কেবল নেওয়া হয়। “অমুক সেতু গতকাল ভেঙে পড়েছে” — এটি যাচাইযোগ্য। “সরকারের নীতি ভালো নয়” — এটি মতামত, আমরা মতামতের সত্য-মিথ্যা নির্ধারণ করি না।
দাবিটি কতজনের কাছে পৌঁছেছে এবং ভুল হলে কতটা ক্ষতি হতে পারে — এই দুটি দেখে অগ্রাধিকার ঠিক হয়।
- 2
কীভাবে যাচাই করা হয়
- উল্টো ছবি-খোঁজ — পুরোনো ছবি নতুন ঘটনার নামে চালানো হচ্ছে কি না
- ভিডিও বিশ্লেষণ — ফ্রেম আলাদা করে উৎস ও তারিখ খোঁজা
- স্থান ও সময় মেলানো — সাইনবোর্ড, দালান, ছায়া মিলিয়ে জায়গা নিশ্চিত করা
- মূল নথি — গেজেট, আদালতের কাগজ, সরকারি পরিসংখ্যান; দ্বিতীয় হাতের খবর নয়
- সরাসরি যোগাযোগ — সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, দপ্তর বা বিশেষজ্ঞের বক্তব্য
একটিমাত্র সূত্রের ওপর ভিত্তি করে কোনো রায় দেওয়া হয় না।
- 3
রায় ও প্রমাণ
প্রতিটি যাচাইয়ে চারটি রায়ের একটি ব্যবহার করা হয়:
সত্যভুয়াবিভ্রান্তিকরআংশিক সত্যপ্রতিটি প্রতিবেদনে মূল দাবিটি হুবহু, আমরা কী পেয়েছি, এবং কোন সূত্র থেকে পেয়েছি — সব লেখা থাকে। যে পোস্ট বা নথির ভিত্তিতে রায় দেওয়া হয়, তার সংরক্ষিত কপি রাখা হয়, কারণ ধরা পড়ার পর বেশির ভাগ পোস্ট মুছে ফেলা হয়।
- 4
ভুল হলে আমরা কী করি
আমাদের যাচাই ভুল প্রমাণিত হলে আমরা তা প্রতিবেদনের ভেতরেই সংশোধন করি, কী বদলানো হলো ও কেন — তা লিখে রাখি, এবং সংশোধনী পাতায় যুক্ত করি। ভুল চুপচাপ মুছে ফেলা হয় না।
- 5
কারা চালায়, কীভাবে চলে
সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নেওয়া হয় — বিজ্ঞাপনদাতা বা কোনো রাজনৈতিক পক্ষের প্রভাব ছাড়াই।
বিজ্ঞাপন থেকে আয় হলেও কোনো বিজ্ঞাপনদাতা প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু নির্ধারণ করেন না। অর্থের বিনিময়ে প্রকাশিত যেকোনো লেখায় “প্রযোজিত” লেবেল থাকে।
ভুল পেলে জানান
আমাদের কোনো প্রতিবেদনে ভুল দেখলে বা কোনো দাবি যাচাই করাতে চাইলে লিখুন — প্রমাণসহ পাঠালে দ্রুত দেখা হয়।


