বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
কোঁকড়ানো চুলের যত্ন: আর্দ্রতা ধরে রাখার কার্যকরী টিপস
কোঁকড়ানো চুলের যত্নে আর্দ্রতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার চুল শুষ্ক করে তুলতে পারে। এছাড়া ঘুমানোর সময় সাটিন বা সিল্কের কভার ব্যবহারের ফলে চুলের ঘর্ষণ কমে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১২· ১ মিনিট পড়া
বিজ্ঞাপন
কোঁকড়ানো চুলের ধরন অন্যান্য সাধারণ চুলের চেয়ে অনেকটাই আলাদা। এই ধরনের চুলের নিয়মিত ও সঠিক যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক নির্দেশিকায় কোঁকড়ানো চুল সুন্দর ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখার কিছু কার্যকরী পরামর্শ তুলে ধরা হয়েছে। এসব পরামর্শ মেনে চললে চুলের নানাবিধ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কোঁকড়ানো চুলের যত্নের মূল বিষয় হলো চুলে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা ধরে রাখা। এই ধরনের চুল প্রাকৃতিকভাবেই একটু শুষ্ক প্রকৃতির হয়ে থাকে। তাই চুলের ভেতরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে পারলে চুল সজীব ও প্রাণবন্ত থাকে।
কোঁকড়ানো চুল পরিষ্কার করার সময় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করলে কোঁকড়ানো চুল আরও বেশি শুষ্ক ও নির্জীব করে তুলতে পারে। তাই চুলের প্রাকৃতিক তেল ও আর্দ্রতা রক্ষা করতে শ্যাম্পু ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিমিত হওয়া উচিত।
ঘুমের সময় চুলের ঘর্ষণ কমানোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়। এই ক্ষেত্রে সাটিন বা সিল্কের বালিশের কভার অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ঘুমানোর সময় এই ধরনের কভার ব্যবহার করলে চুলের ঘর্ষণ অনেক কমে যায়, যা চুল ভাঙা রোধ করতে সাহায্য করে।
সামগ্রिकভাবে, কোঁকড়ানো চুলের সঠিক পরিচর্যার জন্য আর্দ্রতা বজায় রাখা, কম শ্যাম্পু করা এবং ঘুমানোর সময় সাটিন বা সিল্কের বালিশের কভার ব্যবহার করা—এই তিনটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক নিয়ম মেনে চললে কোঁকড়ানো চুলের স্বাস্থ্য সহজেই রক্ষা করা সম্ভব।
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।
বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।