৯০ বছর বয়সেও পাবনার বাজারে মাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ
পাবনা সদরের মাসুম বাজারে ৯০ বছর বয়সেও মাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ করছেন নিয়ামত মোল্লা। একটি মাছ কেটে তিনি পান ২০ থেকে ৩০ টাকা। এই আয়ে তাঁর স্ত্রীসহ সংসার ও ওষুধের খরচ চলে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশের পাবনা সদর উপজেলার মাসুম বাজারে বয়সের ভারকে উপেক্ষা করে জীবিকা নির্বাহের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন ৯০ বছর বয়সী এক প্রবীণ মানুষ। তাঁর নাম নিয়ামত মোল্লা। গত শুক্রবার প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই বয়সেও তিনি কঠোর পরিশ্রম করে নিজের ও পরিবারের অন্ন সংস্থান করছেন।
বার্ধক্যের এই সময়ে অলস বসে না থেকে নিয়ামত মোল্লা বেছে নিয়েছেন অত্যন্ত কষ্টসাধ্য এক পেশা। পাবনা সদরের ব্যস্ততম মাসুম বাজারে তিনি প্রতিদিন নিয়মিতভাবে মাছ কাটার কাজ করেন। বাজারে আসা ক্রেতারা তাঁদের কেনা মাছ কাটানোর জন্য তাঁর কাছে নিয়ে আসেন।
দীর্ঘ সময় ধরে এই কায়িক শ্রমের বিনিময়ে তিনি সামান্য পারিশ্রমিক পেয়ে থাকেন। বাজারে একটি মাছ কেটে দিলেই নিয়ামত মোল্লার হাতে আসে মাত্র ২০ থেকে ৩০ টাকা। অত্যন্ত নামমাত্র এই পারিশ্রমিকের ওপর নির্ভর করেই তাঁকে সারদিনের পরিশ্রমের হিসাব মেলাতে হয়।
এই সামান্য আয়ের মাধ্যমেই তাঁর দৈনন্দিন জীবনের চাকা সচল থাকে। মাছ কেটে তাঁর দৈনিক আয় সাধারণত ২০০ থেকে কখনো কখনো ৩০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে লড়াই করে এই সীমিত আয়ে জীবন চালানো অত্যন্ত দুরূহ একটি ব্যাপার।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, নিয়ামত মোল্লার এই দৈনিক রোজগারের ওপর নির্ভর করেই তাঁর সংসার টিকে আছে। শুধু নিজের ও স্ত্রীর গ্রাসাচ্ছাদনই নয়, বরং বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতার কারণে প্রয়োজনীয় ওষুধের খরচও মেটাতে হয় এই আয়ের টাক দিয়েই।
বয়সের শেষ প্রান্তে এসেও তাই বিশ্রামের কোনো সুযোগ নেই নিয়ামত মোল্লার জীবনে। পেটের টানে এবং বেঁচে থাকার তাগিদে পাবনা সদরের মাসুম বাজারে প্রতিদিনের মতো আজও মাছ কেটে যাওয়ার কঠিন বাস্তবতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন এই প্রবীণ মানুষটি।








