বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
সাগরে বাড়ছে স্কুইডের সংখ্যা, নতুন গবেষণা প্রকাশ
অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা দীর্ঘ ছয় দশকের তথ্য বিশ্লেষণ করে সাগরে স্কুইডের সংখ্যা বৃদ্ধির কথা জানিয়েছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত এই গবেষণায় স্কুইডের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনচক্রের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা সাগরে স্কুইডের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে একটি নতুন গবেষণা প্রকাশ করেছেন। সাম্প্রতিক এই গবেষণায় সামুদ্রিক এই প্রাণীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।
গবেষণার অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা দীর্ঘ ছয় দশকের তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন। সুদীর্ঘ এই সময়কার তথ্য পর্যালোচনা করে তারা সাগরে স্কুইডের উপস্থিতির এই পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মেরিন বায়োলজিস্ট রেমি ডেনেচার ও তাঁর দল এই গবেষণায় কম্পিউটার ইকোসিস্টেম মডেল ব্যবহার করেছেন। এই আধুনিক মডেলের সাহায্যে তারা সামুদ্রিক পরিবেশ ও স্কুইডের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি গভীরভাবে মূল্যায়ন করেছেন।
স্কুইডের জীবনচক্রের বিষয়ে গবেষণায় বলা হয়েছে যে, সাধারণত এক বা দুই বছরের হয়ে থাকে স্কুইডের জীবনকাল। এই স্বল্প জীবনচক্রের মধ্যেই তারা সামুদ্রিক生態ব্যবষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
এছাড়া স্কুইডের খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কেও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। স্কুইড প্রতিদিন তাদের শরীরের ওজনের ৩০ শতাংশ পর্যন্ত খাবার খায় বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ এই গবেষণাটি নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রথম আলো। অস্ট্রেলিয়ার গবেষকদের এই কাজের মাধ্যমে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ও স্কুইডের আচরণ সম্পর্কে নতুন তথ্য উন্মোচিত হলো।
বিজ্ঞানীরা রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে বিলুপ্ত ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট নির্ধারণ করেছেন। গবেষণার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানার হেল ক্রিক গঠন এলাকায় পাওয়া জীবাশ্ম ব্যবহার করা হয়।
নাসা পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গলে পাঠানোর সময় এর গতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ভারী বস্তু ফেলে দিয়েছিল। ২০২০ সালের আগের ও পরবর্তী সময়ের তুলনামূলক পর্যালোচনার ভিত্তিতে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় মঙ্গলের পৃষ্ঠে নতুন পাঁচটি গর্ত তৈরির বিষয়টি উঠে এসেছে।
পারমাণবিক জ্বালানিতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর পরিমাণ অল্প থাকে এবং নিউট্রন মন্থর করতে গ্রাফাইট বা পানি ব্যবহার করা হয়। ১৯৫৪ সালে রাশিয়ার অবনিনস্কে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়।