মঙ্গলে রোভার পাঠানোর সময় ভারী বস্তু ফেলে ৫ গর্ত তৈরি
নাসা পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গলে পাঠানোর সময় এর গতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ভারী বস্তু ফেলে দিয়েছিল। ২০২০ সালের আগের ও পরবর্তী সময়ের তুলনামূলক পর্যালোচনার ভিত্তিতে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় মঙ্গলের পৃষ্ঠে নতুন পাঁচটি গর্ত তৈরির বিষয়টি উঠে এসেছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

নাসা পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গলে পাঠানোর সময় এর গতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ভারী বস্তু ফেলে দিয়েছিল। এর ফলে লাল গ্রহটির পৃষ্ঠে নতুন করে পাঁচটি গর্ত তৈরি হয়েছে বলে সম্প্রতি জানা গেছে। ২০২০ সালের আগের ও পরবর্তী সময়ের তুলনামূলক পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
<প্রসঙ্গ>মঙ্গল গ্রহের জেজেরো ক্রটারের উত্তর-পশ্চিম দিকে ৭০ কিলোমিটার দূরে এই ঘটনা ঘটে। গ্রহটিতে পারসিভারেন্স রোভার অবতরণের সময় গতি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে কিছু ভারী যন্ত্রাংশ ফেলে দেওয়া হয়েছিল। মার্স রিকনেসান্স অরবিটারের দুটি ক্যামেরার সাহায্যে গবেষকেরা মঙ্গলের পৃষ্ঠে তৈরি হওয়া এই নতুন গর্তগুলো শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন।
<প্রসঙ্গ>নাসা পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গলে পাঠানোর সময় এর গতি নিয়ন্ত্রণ করতে দুটি ভারী টাংস্টেন ক্রুজ ব্যালাস্ট মাস ডিভাইস এবং ক্রুজ স্টেজের টুকরা ফেলে দেয়। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ওই দুটি ভারী টাংস্টেন ক্রুজ ব্যালাস্ট মাস ডিভাইসের ওজন প্রায় ৭৭ কেজি ছিল।
<প্রসঙ্গ>এছাড়া মহাকাশযানটির গতি কমাতে ব্যবহৃত ক্রুজ স্টেজের টুকরার ওজন ছিল প্রায় ৫৪০ কেজি। এসব ভারী বস্তু যখন মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল ভেদ করে নিচে নেমে আসে, তখন সেগুলোর আঘাতের কোণ ছিল প্রায় ১০ ডিগ্রি।
<প্রসঙ্গ>এই ভারী বস্তুগুলোর তীব্র পতনের ফলে মঙ্গলের পৃষ্ঠে মোট পাঁচটি নতুন গর্ত তৈরি হয়েছে। ২০২০ সালের আগের এবং পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন চিত্রের তুলনামূলক পর্যালোচনার মাধ্যমেই এই চাঞ্চল্যকর বিষয়টি সম্প্রতি উন্মোচিত হয়েছে। জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটারস জার্নালে এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে।
<প্রসঙ্গ>ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন এবং এ জে সোকোলোস্কা এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। মঙ্গল গ্রহে রোভার অবতরণ প্রক্রিয়ার সময় মহাকাশযানের বিভিন্ন অংশ কীভাবে গ্রহটির পৃষ্ঠে প্রভাব ফেলে, এই আবিষ্কার তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে সামনে এসেছে।








