চাঁদে নতুন গহ্বরের সন্ধান পেল নাসা
চাঁদের বুকে ২২২ মিটার চওড়া একটি নতুন গহ্বর আবিষ্কার করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ২০২৪ সালের এপ্রিল ও মে মাসের মধ্যে একটি মহাজাগতিক বস্তুর আঘাতেই এই গহ্বরটি তৈরি হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৬:১৮· ১ মিনিট পড়া

চাঁদের বুকে একটি নতুন ইমপ্যাক্ট গহ্বরের সন্ধান পেয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আবিষ্কৃত এই গহ্বরটির ব্যাস ২২২ মিটার বা ৭২৮ ফুট। চাঁদের বুকে খুঁজে পাওয়া এই গহ্বরটি অত্যন্ত সাম্প্রতিক একটি ঘটনা বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।
নাসার লুনার রিকনেসাঁ অরবিটার (এলআরও) ব্যবহার করে এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারটি করা হয়েছে। মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার এই যানটি চাঁদের কক্ষপথে থেকে বিভিন্ন তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে থাকে, যার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা চাঁদের পৃষ্ঠের নানা পরিবর্তন লক্ষ্য করেন।
নাসার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১১ এপ্রিল থেকে ২২ মের মধ্যে কোনো একসময়ে এই গহ্বরটি সৃষ্টি হয়েছিল। একটি তিন থেকে ছয় তলা ভবনের সমান আকৃতির কোনো গ্রহাণু বা ধূমকেতুর টুকরো চাঁদের বুকে আছড়ে পড়ার ফলেই এই গহ্বরটির উৎপত্তি হয়েছে।
চাঁদের বুকে আবিষ্কৃত এই নতুন গহ্বরটির নামকরণ করা হয়েছে প্রয়াত প্রখ্যাত চন্দ্র বিজ্ঞানী থমাস ম্যাকগেটসিনের নামানুসারে। বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করেই এই নামকরণ করা হয়েছে।
এদিকে সায়েন্স অ্যাডভান্সেস জার্নালে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণায় এই গহ্বর সম্পর্কিত আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মূল গহ্বরটিকে কেন্দ্র করে চারপাশে ৬.৪ কিলোমিটার বা ৪ মাইল জুড়ে একটি বিশাল এলাকা জুড়ে তাপীয় বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন ঘটেছে।
এই গবেষণা এবং আবিষ্কারের বিস্তারিত বিবরণ সিবিএস নিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমেও উঠে এসেছে। গবেষক বার্ক কুতে গোকেমেনসহ সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা এই আবিষ্কারের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, যা চন্দ্রপৃষ্ঠের বিবর্তন ও মহাজাগতিক প্রভাব সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের ধারণাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।








