বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
আগস্টের শেষার্ধে বাংলাদেশের আকাশে বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য
২০২৬ সালের ১৭ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সন্ধ্যার পর ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দৃশ্যমান হবে আকর্ষণীয় মহাজাগতিক ঘটনা। এই সময়ে শুক্র গ্রহ, অমাবস্যা, নতুন বাঁকা চাঁদ ও পারসেইড উল্কাপাত দেখা যাবে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১২· ১ মিনিট পড়া
বিজ্ঞাপন
২০২৬ সালের ১৭ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সন্ধ্যার পর ঢাকার ও বাংলাদেশের আকাশে বিভিন্ন আকর্ষণীয় মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যাবে। জ্যোতির্বিদ্যাসংক্রান্ত এই ঘটনাগুলো দেশের আকাশপ্রেমী ও সাধারণ মানুষের নজর কাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। রয়টার্স, স্কাইম্যাপ, টাইম অ্যান্ড ডেট, স্কাই অ্যান্ড টেলিস্কোপ, অ্যাস্ট্রোনমি ডটকম এবং সাইটেক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
চলрমান আগস্ট মাসের শেষ দুই সপ্তাহে সন্ধ্যার আকাশে সবচেয়ে প্রধান জ্যোতিষ্ক হিসেবে দৃশ্যমান থাকবে শুক্র গ্রহ। গ্রহটির এই অবস্থান সন্ধ্যার আকাশকে আরও আলোকিত ও আকর্ষণীয় করে তুলবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিষ্কার আকাশে এই দৃশ্য সহজেই দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই বিশেষ সময়ের মধ্যেই সংঘটিত হবে আরও কিছু জ্যোতির্বিদ্যাসংক্রান্ত ঘটনা। এর মধ্যে আগামী ২৮ ও ২৯ আগস্ট আকাশে অমাবস্যার রাত থাকবে। অমাবস্যার এই অন্ধকার রাতে তারকাময় আকাশ পর্যবেক্ষণ করা আরও সহজ হবে।
মাসের একেবারে শেষ দিকে অর্থাৎ ৩০ ও ৩১ আগস্ট সন্ধ্যায় এক অপূর্ব দৃশ্য দেখা যাবে। ওই দুই দিন সন্ধ্যায় পশ্চিম দিগন্তে শুক্র গ্রহের ঠিক নিচে নতুন বাঁকা চাঁদ দেখা যাবে। এই দৃশ্যটি খালি চোখেই উপভোগ করা সম্ভব হবে।
এছাড়াও, চলতি মাসের ২৪ তারিখ পর্যন্ত পারসেইড উল্কাপাত সক্রিয় থাকবে। নির্ধারিত এই সময় পর্যন্ত রাতের আকাশে এই উল্কাপাত ঘটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সব মিলিয়ে ১৭ থেকে ৩১ আগস্ট সময়টাতে বাংলাদেশের আকাশে নানা রোমাঞ্চকর মহাজাগতিক দৃশ্য উন্মোচিত হবে।
বিজ্ঞানীরা রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে বিলুপ্ত ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট নির্ধারণ করেছেন। গবেষণার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানার হেল ক্রিক গঠন এলাকায় পাওয়া জীবাশ্ম ব্যবহার করা হয়।
নাসা পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গলে পাঠানোর সময় এর গতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ভারী বস্তু ফেলে দিয়েছিল। ২০২০ সালের আগের ও পরবর্তী সময়ের তুলনামূলক পর্যালোচনার ভিত্তিতে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় মঙ্গলের পৃষ্ঠে নতুন পাঁচটি গর্ত তৈরির বিষয়টি উঠে এসেছে।
পারমাণবিক জ্বালানিতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর পরিমাণ অল্প থাকে এবং নিউট্রন মন্থর করতে গ্রাফাইট বা পানি ব্যবহার করা হয়। ১৯৫৪ সালে রাশিয়ার অবনিনস্কে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়।