নিয়মিত শরীরচর্চা ও শক্তি প্রশিক্ষণে ঘুমের মান উন্নত হয়
নিয়মিত শরীরচর্চা ও শক্তি প্রশিক্ষণ ঘুমের মান উন্নত করতে এবং চাপ কমাতে সাহায্য করে। ঘরে বসেই স্কোয়াট, লাঞ্জের মতো সহজ কিছু ব্যায়ামের মাধ্যমে এই চর্চা শুরু করা যায়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

নিয়মিত শরীরচর্চা এবং শক্তি প্রশিক্ষণ বা স্ট্রেন্থ ট্রেনিং মানুষের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি ঘুমের মান উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝে এই ধরনের শারীরিক কার্যক্রম কেবল শরীরকে ফিট রাখতেই সাহায্য করে না, বরং মানসিক চাপ কমাতে এবং মানবদেহের স্বাভাবিক ঘুম-জাগরণ চক্র বা স্লিপ-ওয়াক সাইকেল সচল রাখতেও বিশেষভাবে সাহায্য করে। সমকালের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের মান ভালো করার জন্য অতিরিক্ত জটিল কোনো ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই। ঘরে বসেই খুব সহজে বিভিন্ন ধরনের শক্তি প্রশিক্ষণের চর্চা করা সম্ভব। ঘরোয়া পরিবেশে করা যায় এমন কার্যকর ব্যায়ামগুলোর মধ্যে রয়েছে স্কোয়াট, লাঞ্জ, ওয়াল পুশ-আপ এবং প্ল্যাংক। এই ব্যায়ামগুলো ঘরের ভেতরেই কোনো বাড়তি সরঞ্জাম ছাড়াই সহজে সম্পন্ন করা যায়।
যাঁরা ব্যায়ামে সম্পূর্ণ নতুন বা সবেমাত্র শুরু করতে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু প্রাথমিক নির্দেশিকা রয়েছে। নতুন বা বিগিনাররা সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন এবং প্রতিদিন মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় নিয়ে এই ব্যায়ামগুলো শুরু করতে পারেন। অতিরিক্ত পরিশ্রম এড়িয়ে এই স্বল্প মেয়াদী ব্যায়ামই শুরুতে শরীরের জন্য যথেষ্ট সুফল বয়ে আনে।
তবে শরীরচর্চার ক্ষেত্রে সময়ের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমোতে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে কোনো ধরনের ভারী ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করা থেকে বিরত থাকা উচিত। ঘুমানোর আগে ভারী ব্যায়াম করলে শরীর অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা স্বাভাবিক ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাই উপযুক্ত সময়ে শরীরচর্চা সম্পন্ন করা জরুরি।
পরিশেষে, সুস্বাস্থ্য এবং শান্তির ঘুমের জন্য দৈনন্দিন রুটিনে ব্যায়ামকে অন্তর্ভুক্ত করা একটি কার্যকরী উপায়। ঘরে বসে নিয়ম মেনে সঠিক উপায়ে শক্তি প্রশিক্ষণ করলে ঘুমের সমস্যা দূর হওয়ার পাশাপাশি সামগ্রিক জীবনযাত্রার মান উন্নত হতে পারে।








