গ্রিসে ২২ বছরের সংরক্ষিত ভ্রূণ থেকে সন্তানের জন্ম
গ্রিসের এথেন্সে ২২ বছর ধরে হিমায়িত করে রাখা ভ্রূণ ব্যবহার করে এক দম্পতি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তিন দিন আগে নবজাতকটি জন্মগ্রহণ করে। গ্রিসে আইভিএফ চিকিৎসার জন্য নারীদের ক্ষেত্রে ৫৪ বছরের সরকারি বয়সসীমা রয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

গ্রিসে এক দম্পতি দীর্ঘ ২২ বছর ধরে হিমায়িত বা সংরক্ষিত অবস্থায় থাকা একটি ভ্রূণ ব্যবহার করে সফলভাবে একটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই ঘটনাটি ঘটেছে গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে। চিকিৎসকদের দীর্ঘদিনের সংরক্ষণ পদ্ধতি ও সফল প্রয়োগের ফলে এই বিরল ঘটনাটি বাস্তব রূপ লাভ করেছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, নবজাতক শিশুটি আজ থেকে ঠিক তিন দিন আগে এথেন্সে জন্মগ্রহণ করেছে। যে ভ্রূণটি থেকে এই সন্তানের জন্ম হয়েছে, তা দীর্ঘ ২২ বছর ধরে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে হিমায়িত বা সংরক্ষিত রাখা হয়েছিল। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পার হওয়ার পর সেই ভ্রূণটি পুনরুজ্জীবিত করে সফল গর্ভধারণ সম্পন্ন করা হয়।
এই পুরো প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে গ্রিসের প্রচলিত আইন ও চিকিৎসা নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। গ্রিসের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, নারী বা মায়েরা যারা আইভিএফ (ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) বা কৃত্রিম প্রজনন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যান, তাদের বয়সের একটি নির্দিষ্ট সরকারি সীমা রয়েছে।
আইনি বিধান অনুযায়ী, গ্রিসে আইভিএফ পদ্ধতি গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীদের জন্য সর্বোচ্চ ৫৪ বছরের একটি সরকারি বয়সসীমা নির্ধারিত রয়েছে। এই নির্দিষ্ট বয়সসীমার মধ্যে থেকেই সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা আইভিএফ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকেন।
দীর্ঘ ২২ বছর ধরে সংরক্ষিত ভ্রূণ থেকে সন্তান জন্মদানের এই ঘটনাটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করেছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি ভ্রূণ সংরক্ষণের সফলতা এবং তার সঠিক ব্যবহারের কার্যকারিতা আবারও প্রমাণিত হলো।
বর্তমানে নবজাতক ও তার বাবা-মা উভয়েই সুস্থ আছেন বলে জানা গেছে। তিন দিন আগে এথেন্সে এই সন্তান জন্ম নেওয়ার পর থেকেই চিকিৎসা মহলে বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। কঠোর সরকারি নিয়মকানুন এবং বয়সের সীমাবদ্ধতা মেনে চলা সত্ত্বেও এই চিকিৎসা পদ্ধতির সফল বাস্তবায়ন অনেক দম্পতিকে নতুন আশা দেখাচ্ছে।








