নিয়মিত হাঁটা শরীরকে সারা দিন সক্রিয় রাখতে এবং দৈনিক ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করে। শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে এবং পেটের চর্বি কমাতে হাঁটার অভ্যাস অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে।
দৈনিক হাঁটার পরিমাণ ঠিক রাখতে এবং কাজের অগ্রগতি মাপতে প্রযুক্তি ব্যবহার করা সম্ভব। এর জন্য মোবাইল ফোন, স্মার্টওয়াচ বা ফিটনেস ট্র্যাকারের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে, যার মাধ্যমে প্রতিদিনের পদক্ষেপ বা স্টেপস ট্র্যাক করা যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ সমতল রাস্তার চেয়ে ঢালু জায়গায় হাঁটলে পায়ের পেশি এবং গ্লুটসের ওপর বেশি চাপ পড়ে। এর ফলে পেশির ওপর বাড়তি পরিশ্রম হয় এবং আরও বেশি সুফল পাওয়া যায়।
খাবারের পর হাঁটার রয়েছে সুনির্দিষ্ট কিছু উপকারিতা। খাবার গ্রহণের পর ১০ থেকে ১৫ মিনিট হালকা হাঁটলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য মেলে এবং এটি পরিপাকক্রিয়া বা হজমেও সহায়তা করে।
ওজন কমানোর বিষয়টি কেবল হাঁটার ওপর নির্ভর করে না। এটি একটি সামগ্রিক প্রক্রিয়ার অংশ, যা নির্ভর করে সঠিক ডায়েট, মোট ক্যালোরি গ্রহণ, পর্যাপ্ত আমিষ বা প্রোটিন, পর্যাপ্ত ঘুম এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের ওপর।
মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান ও তার উৎসের সন্ধান দিয়েছেন পুষ্টিবিদ অঞ্জলি মুখার্জি। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ওমেগা-৩ ফ্যাট, কোলিন, বি ভিটামিন, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও জিঙ্কের নানা উৎসের কথা উল্লেখ করেছেন।
নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্লিপ ট্র্যাকার ঘুমের ধরন ও সময় বিশ্লেষণ করলেও ব্যক্তির নিজস্ব ঘুমের অনুভূতির সঙ্গে এর প্রাপ্ত তথ্যের মিল সবসময় থাকে না। যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা প্রায় দুই হাজার মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সীমাবদ্ধতা খুঁজে পেয়েছেন।