সাধারণভাবে চুইংগাম দাঁত বা মুখের কোনো ক্ষতি করে না। নিয়মিত চুইংগাম চিবানোর বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত উপকারিতা রয়েছে, যা দাঁতের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
স্বাস্থ্য বিষয়ক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, খাওয়ার পর চিনিবিহীন গাম ২০ মিনিট ধরে চিবোলে তা দাঁতের ক্ষয়রোধে বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে। তবে চুইংগাম নির্বাচনে সতর্কতা জরুরি।
প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চিনিযুক্ত গাম মুখের ভেতর ক্ষতিকর অ্যাসিড তৈরি করে। সেই তুলনায় চিনিমুক্ত চুইংগাম দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি ভালো ও নিরাপদ।
বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের মতে, চুইংগাম চিবোলে মুখ গহ্বরে প্রচুর লালা উৎপন্ন হয় বা লালা বের হয়। এই অতিরিক্ত লালা মুখের ভেতর থাকা ব্যাকটেরিয়া-নিঃসৃত অ্যাসিড নিষ্ক্রিয় করতে বা ধুয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।
এই স্বাস্থ্য প্রতিবেদনে আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে এসেছে, যা ডেন্টাল ও পরিবেশগত সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত। এই সংস্থাগুলো হলো আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশন এবং এনভায়রনমেন্টাল ওয়ার্কিং গ্রুপ।
দাঁতের সুরক্ষায় চুইংগামের উপকারিতা থাকলেও শিশুদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। বাচ্চারা গাম খেয়ে ফেললে অনেক সময় গলায় আটকে গিয়ে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে।
মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান ও তার উৎসের সন্ধান দিয়েছেন পুষ্টিবিদ অঞ্জলি মুখার্জি। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ওমেগা-৩ ফ্যাট, কোলিন, বি ভিটামিন, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও জিঙ্কের নানা উৎসের কথা উল্লেখ করেছেন।
নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্লিপ ট্র্যাকার ঘুমের ধরন ও সময় বিশ্লেষণ করলেও ব্যক্তির নিজস্ব ঘুমের অনুভূতির সঙ্গে এর প্রাপ্ত তথ্যের মিল সবসময় থাকে না। যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা প্রায় দুই হাজার মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সীমাবদ্ধতা খুঁজে পেয়েছেন।
কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি ও ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে, নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মস্তিষ্কের ধূসর পদার্থের পরিমাণ বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। শৈশবে বই পড়ার অভ্যাস থাকলে তা বয়স্ক বয়সে স্মৃতিশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি কমায়।