ডেঙ্গু প্রতিরোধে জাতীয় টাস্কফোর্সের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত
ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির জরুরি সভা ৩০ আগস্ট সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ড. আবদুল মঈন খান।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩০ আগস্ট ঢাকার সচিবালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি আয়োজন করা হয়। দেশের মশাবাহিত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল।
সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ড. আবদুল মঈন খান। এছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও এই সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতির পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানানো হয় যে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে গতকাল পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে প্রায় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
পরিসংখ্যান তুলে ধরে সভায় আরও জানানো হয় যে, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এই তথ্যটি সভায় বিশেষভাবে উপস্থাপন করেন মীর শাহে আলম। তিনি জানান যে, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।
সভায় ডেঙ্গু সংক্রমণ রোধে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের বিষয়টি তুলে ধরে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, “ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগের বিস্তার রোধে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।” মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে সরকারের এই দৃঢ় অবস্থানের কথা তিনি সভায় পুনর্ব্যক্ত করেন।
মশা নিয়ন্ত্রণে কারিগরি সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে ড. আবদুল মঈন খান আরও বলেন, “মশার লার্ভার উৎস ধ্বংসের পাশাপাশি মশা নিধনে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা বাড়াতে গবেষণা ও কারিগরি সক্ষমতা জোরদার করা হচ্ছে।” মশা নিধন কার্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণার ব্যবহারের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে ড. আবদুল মঈন খান উল্লেখ করেন, “ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং গাজীপুরের মতো বড় ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণে নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সিটি করপোরেশনগুলো সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে।” ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকার বাস্তবতার কথা তিনি তুলে ধরেন।








