চল্লিশোর্ধ্ব জীবনে সুখী থাকার চার মন্ত্র জানালেন কুসুম শিকদার
অভিনেত্রী কুসুম শিকদার জীবনের চল্লিশ বসন্ত পার করে চল্লিশোর্ধ্ব জীবনে সুখী ও সুন্দর থাকার চারটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। ঘৃণা পরিহার করা, নেতিবাচক শক্তি ত্যাগ করা এবং প্রকৃতির সান্নিধ্যে যাওয়ার মতো বিষয়গুলো এতে স্থান পেয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৬:০২· ১ মিনিট পড়া

জনপ্রিয় অভিনেত্রী কুসুম শিকদার তাঁর জীবনের চল্লিশ বসন্ত পার করেছেন। জীবনের এই বিশেষ ও পরিণত সময়ে এসে তিনি কীভাবে সুখী ও সুন্দর থাকতে পারেন, সেই বিষয়ে নিজের ভাবনাগুলো অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। অভিনেত্রী সম্প্রতি তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চল্লিশোর্ধ্ব জীবনে সুখী ও সুন্দর থাকার চারটি বিশেষ মন্ত্র বা পরামর্শ প্রকাশ করেছেন।
কুসুম শিকদারের প্রকাশিত এই চারটি মন্ত্রের প্রথমটিতে তিনি মনকে ইতিবাচক রাখার ওপর জোর দিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেছেন, ঘৃণা করা যাবে না, শুধুই ভালোবাসতে হবে। তবে নেগেটিভ অ্যানার্জির সঙ্গ পরিত্যাগ করতে হবে, নাহয় মন কলুষিত হবে। অর্থাৎ নেতিবাচক শক্তি থেকে দূরে থাকার মাধ্যমেই মনের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তাঁর প্রকাশিত পরামর্শের দ্বিতীয় পয়েন্টে আত্মসম্মান ও মর্যাদার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এই প্রসঙ্গে অভিনেত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, অবমূল্যায়ন বা অসম্মানের সম্ভাবনা যেখানে, না যাওয়াই ভালো সেখানে। আত্মসম্মান বজায় রাখতে অপ্রয়োজনীয় ও অসম্মানজনক পরিবেশ থেকে দূরে থাকার এই বার্তাটি তিনি তাঁর ভক্ত ও অনুসারীদের উদ্দেশ্যে দিয়েছেন।
সুখী জীবনের তৃতীয় মন্ত্র হিসেবে কুসুম শিকদার মনকে সচল ও কৌতূহলী রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, মুগ্ধ হওয়ার ক্ষমতা এবং রোজ নতুন কিছু শেখার আগ্রহ রাখতে হবে। জীবনের প্রতি কৌতূহল এবং প্রতিদিন নতুন কিছু অর্জনের মানসিকতাই একজন মানুষকে মানসিকভাবে তরুণ ও আনন্দিত রাখে।
তাঁর এই চার মন্ত্রের চতুর্থ ও শেষ পরামর্শটি সরাসরি প্রকৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। মানসিক শান্তি ও শারীরিক প্রশান্তির জন্য তিনি নিয়মিত প্রকৃতির সান্নিধ্যে যাওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিনেত্রী সুনির্দিষ্টভাবে বলেছেন যে, প্রায়ই প্রকৃতির কাছে যেতে হবে। ব্যস্ত জীবনের যান্ত্রিকতা থেকে বেরিয়ে প্রকৃতির কাছে সময় কাটানোই সুখী জীবনের অন্যতম চাবিকাঠি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কুসুম শিকদারের এই জীবনদর্শন ও চারিত্রিক পরামর্শগুলো ইতোমধ্যে তাঁর ভক্ত ও অনুসারীদের মাঝে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জীবনের চল্লিশোর্ধ্ব এই সময়ে এসে তাঁর এই ইতিবাচক চিন্তাভাবনা ও জীবনমুখী বার্তাগুলো অনেকের জন্যই অনুপ্রেরণাদায়ক হয়ে উঠেছে।








