শিশুর অতিচঞ্চলতা কমাতে করণীয় ও জীবনধারা বিষয়ক পরামর্শ
বর্তমান সময়ের শিশুরা মোবাইল ও গ্যাজেটের প্রভাবে খুব দ্রুত অনেক কিছু শেখে এবং অতিরিক্ত চঞ্চল হয়ে ওঠে। এই অতিচঞ্চলতা কমাতে ইয়োগা, খেলাধুলা ও নির্দিষ্ট রুটিন মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বর্তমান সময়ের শিশুরা এমনিতেই বেশ চঞ্চল প্রকৃতির হয়ে থাকে। প্রযুক্তির আধুনিক যুগে বেড়ে ওঠা এসব শিশু খুব কম সময়েই অনেক কিছু শিখতে সক্ষম হচ্ছে। বিশেষ করে মোবাইল, ল্যাপটপ এবং নানা ধরনের গ্যাজেট ব্যবহারের ফলে তাদের শেখার গতি বহুগুণ বেড়ে গেছে, যা তাদের আচরণেও প্রভাব ফেলছে।
তবে এই দ্রুত শেখার ক্ষমতার পাশাপাশি শিশুদের অতিরিক্ত চঞ্চলতা একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গবেষক ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অতিচঞ্চলতার কারণে শিশুরা অনেক সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। তাই তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি।
শিশুদের এই অস্বাভাবিক বা অতিরিক্ত চঞ্চলতা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিয়মিত ইয়োগা করা, মেডিটেশনে অংশ নেওয়া এবং প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ধরে হাঁটা ও খেলাধুলা করা। এসব শারীরিক ও মানসিক কার্যক্রম শিশুর অতিরিক্ত শক্তি সঠিক পথে পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
পাশাপাশি, শিশুদের দৈনন্দিন জীবনে একটি নির্দিষ্ট রুটিন মেনে চলা প্রয়োজন। সুশৃঙ্খল জীবনযাপন এবং পরিমিত কার্যক্রম শিশুর মনকে শান্ত রাখতে এবং অতিচঞ্চলতা কমাতে দারুণভাবে সাহায্য করতে পারে। রুটিনমাফিক জীবন তাদের শৃঙ্খলিত হতেও শেখায়।
যদি শিশুর অতিচঞ্চলতা মাত্রাতিরিক্ত পর্যায়ে চলে যায়, তবে ঘরে বসে না থেকে অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। চিকিৎসকের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করে শিশুর মধ্যে দেখা দেওয়া বিভিন্ন লক্ষণ ও আচরণ সম্পর্কে তাকে অবহিত করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত জাগো নিউজ-এর লাইফস্টাইল বিষয়ক এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য ও পরামর্শ তুলে ধরেছেন মাহাফুজা শিরিন। শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের এই বিষয়গুলোতে বিশেষ নজর দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।








