বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
ঘর পরিপাটি রাখতে প্রতিদিনের ছোট কিছু সহজ অভ্যাস
ঘর সবসময় পরিপাটি ও গোছানো রাখতে বড় ধরনের পরিচ্ছন্নতার প্রয়োজন হয় না। ঘুম থেকে উঠে বিছানা গোছানো এবং ব্যবহারের পর জিনিসপত্র নির্দিষ্ট স্থানে রাখার মতো ছোট অভ্যাসই ঘরকে পরিচ্ছন্ন রাখে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১২· ১ মিনিট পড়া
বিজ্ঞাপন
ঘর সবসময় পরিপাটি ও গোছানো রাখা অনেকের কাছেই একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘর পরিপাটি রাখার জন্য সবসময় বড় ধরনের পরিচ্ছন্নতা অভিযানের প্রয়োজন হয় না। বরং প্রতিদিনের কিছু ছোট অভ্যাসই ঘরকে সুন্দর ও গোছানো রাখতে পারে।
এই অভ্যাসের মধ্যে রয়েছে কাপড়চোপড় যথাস্থানে রাখা, ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই বিছানা গুছিয়ে ফেলা, ছোটখাটো জিনিসপত্র পরিপাটি করা এবং টেবিল বা সিঙ্ক থেকে থালাবাসন সরিয়ে পরিষ্কার করা। এই সহজ কাজগুলো নিয়মিত করলে ঘরের সামগ্রিক রূপ বদলে যায়।
ঘুম থেকে ওঠার পরপরই বিছানা গোছানোর বিষয়টি ঘরের চেহারা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করে। এটি পুরো ঘরের পরিবেশকে মুহূর্তের মধ্যে পরিপাটি ও সুন্দর করে তোলে, যা দিনটির শুরুতেই মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
এ ছাড়া ছোটখাটো জিনিস যেমন চাবি, চার্জার এবং রিমোট ইত্যাদি টেবিল বা বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে। এই ধরনের ছোট জিনিসগুলো একটি ছোট বাক্স, অর্গানাইজ বা ট্রেতে রাখা অত্যন্ত কার্যকর। এর মাধ্যমে ঘর অগোছালো হওয়া থেকে রক্ষা পায়।
প্রতিদিনের জীবনযাপনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস হলো ব্যবহারের পর জিনিসপত্র আবার তাদের নিজ নিজ নির্দিষ্ট স্থানে ফিরিয়ে দেওয়া। এই নিয়মটি মেনে চললে ঘর পরিষ্কার ও পরিপাটি রাখা অত্যন্ত সহজ হয়ে যায় এবং বাড়তি কোনো ঝক্কি পোহাতে হয় না।
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।
বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।