১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।
প্রকাশ: · আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:৪৭· ১ মিনিট পড়া
বিজ্ঞাপন
১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে সুইডিশ ফ্যাশন ব্র্যান্ড এইচঅ্যান্ডএমের একটি ফ্যাশন শো অনুষ্ঠিত হয়। এই ফ্যাশন শো চলাকালীন অ্যানিমেল রাইটস অর্গানাইজেশন পেটা বা পিপল ফর দ্য এথিক্যাল ট্রিটমেন্ট অব এনিমেলসের তিনজন কর্মী আকস্মিক প্রতিবাদ শুরু করেন।
পেটার এই কর্মীরা মূলত পোশাকে পশম ব্যবহারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। প্রতিবাদ জানাতে তারা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে সোজা রানওয়েতে প্রবেশ করেন। ফ্যাশন শোয়ের মতো একটি বড় আয়োজনে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দর্শকদের মাঝে চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত নিরাপত্তাকর্মীরা অত্যন্ত ধৈর্যের পরিচয় দেন। তারা বিক্ষোভকারীদের গায়ে কোনো ধরনের হাত না দিয়েই অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে নিয়ে যান।
নিরাপত্তাকর্মীদের দ্রুত হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর সুইডিশ ফ্যাশন ব্র্যান্ড এইচঅ্যান্ডএম তাদের নির্ধারিত ফ্যাশন শো সফলভাবে চালিয়ে যায়। এ ঘটনায় বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
এর আগে গত সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে আরেকটি ফ্যাশন ব্র্যান্ড কসের ফ্যাশন শো চলাকালেও পেটার কর্মীরা অনুরূপ প্রতিবাদ করেছিলেন। তবে লন্ডনের ঘটনার মতো নিউইয়র্কের পরিস্থিতি অতটা শান্ত ছিল না।
নিউইয়র্কে কসের ফ্যাশন শো চলাকালীন বিক্ষোভের সময় পেটার বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ফ্যাশন ডিজাইন অব আমেরিকা বা সিএফডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রেসিডেন্ট স্টিভেন কোলবের শারীরিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় ফ্যাশন অঙ্গনে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।
বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
অতিরিক্ত বাজার করা ও সংরক্ষণের ভুলেই প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ খাবার নষ্ট হয়। একটু পরিকল্পনা ও সচেতনতা থাকলে এই অপচয় রোধ করা সম্ভব, যা অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি পরিবেশের ওপর চাপ কমায়।