বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
বান্দরবানে শুরু হয়েছে তিন দিনের পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী
বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
প্রকাশ: · আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫:৩১· ১ মিনিট পড়া
বিজ্ঞাপন
বান্দরবানে বর্ণিল আয়োজনে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ‘পোহ-চগ্রু’ সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী। স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সবার সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রদর্শনী শুরু হয়। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, তিন দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে।
এই বিশেষ প্রদর্শনীতে পাহাড়ি অঞ্চলের ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান প্রদর্শনের জন্য স্থান পেয়েছে। বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা, কৃষ্টি এবং সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার চমৎকার সুযোগ তৈরি হয়েছে এর মাধ্যমে।
আয়োজক প্রতিষ্ঠান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই প্রদর্শনী দেখতে প্রতিদিন সকাল থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রদর্শনীটি প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সব দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
বান্দরবানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষসহ পর্যটকরা এই প্রদর্শনীতে এসে ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারছেন। আগামী রোববার রাত ৯টায় এই সাংস্কৃতিক প্রদর্শনীর সমাপ্তি ঘটবে।
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।
অতিরিক্ত বাজার করা ও সংরক্ষণের ভুলেই প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ খাবার নষ্ট হয়। একটু পরিকল্পনা ও সচেতনতা থাকলে এই অপচয় রোধ করা সম্ভব, যা অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি পরিবেশের ওপর চাপ কমায়।