বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া একটি লজ্জাবতী বানর উদ্ধার
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাটিতে পড়ে যাওয়া একটি লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের খবরের ভিত্তিতে বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের লোকজন বানরটিকে উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন। পরবর্তীতে সেটিকে একটি রেসকিউ সেন্টারে পাঠানো হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১২· ১ মিনিট পড়া
বিজ্ঞাপন
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হওয়া একটি লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করা হয়েছে। গত ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে উপজেলার শ্যাওলী আবাসিক এলাকা থেকে এই বন্যপ্রাণীটিকে উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার দিন স্থানীয় বাসিন্দারা ওই আবাসিক এলাকায় একটি বানরকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে দেখেন। কিছুক্ষণের মধ্যে সেটি মাটিতে পড়ে যায়। বানরটির এমন অবস্থা দেখে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে আসেন।
স্থানীয়দের মধ্যে এই ঘটনায় স্বপন দেব সজল, সঞ্জিত দেব ও রাজদীপ দেব দীপসহ অন্যরা উদ্যোগী হন। তারা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে অবহিত করেন।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্টরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহত ও অচেতন প্রায় বানরটিকে নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হন।
উদ্ধারের পর বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বানরটিকে শ্রীমঙ্গলবন বিভাগ রেঞ্জ অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রাণীটিকে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পরবর্তীতে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগ থেকে আহত লজ্জাবতী বানরটিকে উন্নত পরিচর্যা ও সুরক্ষার জন্য একটি নির্ধারিত রেসকিউ সেন্টারে পাঠানো হয়। বর্তমানে প্রাণীটি সেখানে চিকিৎসাধীন ও নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছে।
বিজ্ঞানীরা রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে বিলুপ্ত ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট নির্ধারণ করেছেন। গবেষণার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানার হেল ক্রিক গঠন এলাকায় পাওয়া জীবাশ্ম ব্যবহার করা হয়।
নাসা পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গলে পাঠানোর সময় এর গতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ভারী বস্তু ফেলে দিয়েছিল। ২০২০ সালের আগের ও পরবর্তী সময়ের তুলনামূলক পর্যালোচনার ভিত্তিতে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় মঙ্গলের পৃষ্ঠে নতুন পাঁচটি গর্ত তৈরির বিষয়টি উঠে এসেছে।
পারমাণবিক জ্বালানিতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর পরিমাণ অল্প থাকে এবং নিউট্রন মন্থর করতে গ্রাফাইট বা পানি ব্যবহার করা হয়। ১৯৫৪ সালে রাশিয়ার অবনিনস্কে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়।