কালবৈশাখী ঝড়ের চার মাস পরও সরেনি বিদ্যালয় ভবনের গাছ
গত ১৩ মে কালবৈশাখী ঝড়ে সদরপুরের সতের রশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওপর একটি বিশাল চাম্বল গাছ ভেঙে পড়ে। চার মাস পেরিয়ে গেলেও গাছটি অপসারণ না করায় ওই কক্ষে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

গত ১৫ আগস্ট (শনিবার) প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সদরপুর উপজেলার সতের রশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার চার মাস পরও গাছ অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। গত ১৩ মে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বিদ্যালয়টির একটি সেমিপাকা ঘরের ওপর একটি বিশাল আকৃতির চাম্বল গাছ ভেঙে পড়েছিল।
ঝড় আঘাত হানার পর পেরিয়ে গেছে দীর্ঘ চার মাস। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, আজও বিদ্যালয় ভবনের ওপর থেকে সেই প্রকাণ্ড গাছটি অপসারণ করা হয়নি। গাছটি এখনো সেখানেই পড়ে রয়েছে।
এই দীর্ঘ সময়েও গাছটি সরাতে না পারার কারণে বিদ্যালয়টির স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ভবনের যে অংশটির ওপর গাছটি পড়েছে, সেই কক্ষটিতে বর্তমানে পাঠদান সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে জানিয়েছে যে, গাছটি সরকারি সম্পত্তি হওয়ার কারণে তারা নিজেদের ইচ্ছেমতো বা কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছাড়া তা অপসারণ করতে পারছেন না। আইনগত ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এটি সরাতে হবে।
এদিকে, সদরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুর রহমান, মামুনুর রশিদ এবং সুজন তালুকদার—এই সংশ্লিষ্ট মহел থেকে জানা গেছে যে, গাছটি ভেঙে পড়ার পরপরই স্থানীয় বন বিভাগকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।
তবে বন বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বা অনুমতি পাওয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় চার মাস ধরে বিদ্যালয় ভবনের ওপর সেই বিপজ্জনক গাছটি ঝুলে রয়েছে। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে সংশ্লিষ্ট মহলে।
দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই সরকারি গাছটি অপসারণ করে বিদ্যালয়ের ক্ষতিগ্রস্ত কক্ষটি পুনরায় পাঠদানের উপযোগী করার জন্য এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।








