মৌলভীবাজারের স্টার অ্যাগ্রো প্রসেসিংয়ের আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ
মৌলভীবাজারে অবস্থিত স্টার অ্যাগ্রো প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ আদা, রসুন ও পেঁয়াজের গুঁড়া উৎপাদনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে। ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটি চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদের মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কাজ করছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

মৌলভীবাজারের কৃষিশিল্প খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে স্টার অ্যাগ্রো প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ। ২০২০ সালে সৈয়দ আমিনুল কবির কৃষিশিল্পে যুক্ত হয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় কৃষির বহুমুখীকরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
প্রাথমিক প্রস্তুতি ও অবকাঠামোগত কাজ শেষে স্টার অ্যাগ্রো প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ ২০২১ সালের শেষের দিকে বড় পরিসরে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়। এই বাণিজ্যিক উৎপাদনের মাধ্যমে কারখানাটি মূলত আদা, রসুন ও পেঁয়াজের গুঁড়া উৎপাদনের কাজ শুরু করে।
উৎপাদন প্রক্রিয়া আরও বেগবান ও টেকসই করতে প্রতিষ্ঠানটি নানкаমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বিদ্যুতের সংকট দেখা দিলে তা কাটাতে নিজস্ব উদ্যোগে আধুনিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে উৎপাদন কার্যক্রমে আর কোনো ব্যাঘাত ঘটে না।
কাঁচামাল সংগ্রহ ও কৃষকদের সুরক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি অনন্য এক মডেল তৈরি করেছে। স্টার অ্যাগ্রো প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ বর্তমানে চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদের মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি কাজ করছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
তবে কিছু কাঁচামালের ক্ষেত্রে দেশের বাইরে থেকে আমদানির ওপরও নির্ভর করতে হয়। বিশেষ করে সাদা পেঁয়াজ এবং নারকেলের কোপরা ভারত ও ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করতে হয় তাদের।
স্থানীয় গণ্ডি পেরিয়ে এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণের দিকে নজর দিয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটি। বিশ্বমানের মানদণ্ড বজায় রাখতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে আইএসও ২২০০০:২০১৮ এবং হালাল সনদ অর্জনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।








