তাড়াশের উলুপুর দিঘি ও চলনবিলে পরিযায়ী পাখির আগমন
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে উলুপুর দিঘি ও চলনবিলের জলাভূমিতে শীত মৌসুমে পরিযায়ী পাখির আগমন ঘটেছে। এসব এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা গেলেও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার উলুপুর দিঘি ও চলনবিলের জলাভূমিতে শীত মৌসুমে পরিযায়ী পাখির আগমন ঘটেছে। ১৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, প্রতি বছরের মতো এবারও শীতের শুরুতে এসব জলাভূমিতে নানা প্রজাতির অতিথি পাখি আসতে শুরু করেছে।
এলাকার স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিরাজগঞ্জের তাড়াশের উলুপুর দিঘি ও চলনবিলের জলাভূমিতে শীত মৌসুমে পরিযায়ী পাখি আসে। এসব এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং জলাভূমির প্রাচুর্যের কারণে শীতের এই সময়ে পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা বৃদ্ধি পায়।
বিশেষ করে উলুপুর দিঘিতে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, উলুপুর দিঘিতে সোলি, বদর, লালমোন, শামুকখোল, বক, বালিহাঁসসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা যায়। এসব পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে ওঠে দিঘি ও এর আশপাশের গ্রামীণ পরিবেশ।
তবে পরিযায়ী পাখিদের এই আগমন ও সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এই বিষয়ে রফিকুল ইসলাম একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “যে নিরাপত্তার জন্য এ দেশে অতিথি পাখি আসে, অনেক সময় তারা সেই নিরাপত্তা পায় না। কিছু অসাধু মানুষ বিভিন্ন সময় পাখি শিকার ও হত্যা করে। এভাবে পাখি নিধন চলতে থাকলে প্রকৃতি তার নিজস্ব সৌন্দর্য হারাবে এবং বিলুপ্ত হতে পারে বহু পাখি প্রজাতি। তাই অতিথি পাখিদের নিরাপদ বিচরণ নিশ্চিত করতে সবাইকে সচেতন ও মানবিক হতে হবে।”
উলুপুর দিঘি ও চলনবিলের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিযায়ী পাখির অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় সচেতন মহলের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। বিশেষ করে যমুনা সেতু পশ্চিম ইকোপার্ক সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে পাখি শিকার রোধে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।
পরিবেশবাদীরা মনে করছেন, শীতের এই অতিথি পাখিরা প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই উলুপুর দিঘি ও চলনবিলে আসা এসব পরিযায়ী পাখি সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি, যাতে অসাধু চক্রের শিকার হয়ে পাখি নিধন বন্ধ করা সম্ভব হয়।








