বারক্লেসের অফিসমুখী নির্দেশের বিরুদ্ধে কর্মী ও ইউনিয়নের ক্ষোভ
বারক্লেসের নতুন অফিসমুখী নির্দেশিকার প্রতিবাদ জানিয়েছেন হাজার হাজার কর্মী ও ইউনিয়ন প্রতিনিধিরা। ব্যাংকটির ৪৫ হাজার কর্মীর প্রায় ৮০ শতাংশের প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়ন 'ইউনিট' এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাজ্যের অন্যতম শীর্ষ ব্যাংক বারক্লেসের কর্মী ও ইউনিয়নের পক্ষ থেকে অফিসমুখী বাধ্যতামূলক নির্দেশের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিবাদ ও ধাক্কা তৈরি হয়েছে। ব্যাংকটি চলতি গ্রীষ্মের শুরুতে ঘোষণা করেছিল যে, আগামী অক্টোবর থেকে সাধারণ কর্ম ̈চারীদের সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এবং জ্যেষ্ঠ কর্মীদের সপ্তাহে অন্তত চার দিন অফিসে এসে কাজ করতে হবে। বারক্লেসের বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী, পূর্ণকালীন কর্মীদের সপ্তাহে অন্তত দুই দিন অফিসে আসার নিয়ম রয়েছে।
ব্যাংকটির এই নতুন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে হাজার হাজার বারক্লেস কর্মী একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। ওই চিঠিতে যাতায়াত খরচ মেটানোর জন্য ভাতা প্রদান এবং যাঁদের বাড়ি অফিস থেকে ৪০ মিনিটের বেশি দূরে অবস্থিত, তাঁদের জন্য এই নির্দেশ শিথিল বা ছাড় দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
কর্মী ও ইউনিয়নের এই ক্ষোভের বিষয়ে ব্লুমবার্গ ও রয়টার্স সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ব্যাংক খাতের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় বারক্লেসের এই কড়াকড়ি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শ্রমিক ইউনিয়ন 'ইউনিট' বর্তমানে বারক্লেসের ৪৫ হাজার কর্মীর প্রায় ৮০ শতাংশেরই প্রতিনিধিত্ব করছে।
ইউনিটের প্রতিনিধি রিক কয়েল এই পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছেন, এই বিষয়টি নিয়ে যে উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে তার অন্যতম কারণ হলো ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের অধিকাংশ নিয়োগকর্তা সাধারণত আরও বেশি নমনীয়তা গ্রহণ করছেন। আমাদের সদস্যদের মতে, বারক্লেস এমন একটি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে যার কোনো অস্তিত্বই নেই।
রিক কয়েল আরও জানান, হাজার হাজার কর্মী এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন এবং এই সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। আগামী দিনে কর্মীদের এই তীব্র অনুভূতির বিষয়ে বারক্লেস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবে ইউনিট।
অন্যদিকে, এই কাজের ধরনের বিতর্কের মাঝেই জেপি মরগানের জেমি ডিমন এই বিষয়ে একটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, এটি একটি শিক্ষানবিস ব্যবস্থা... আপনি আপনার বেইসমেন্টে বসে কাজ শিখেতে পারবেন না।
সবমিলিয়ে, বারক্লেসের নতুন এই অফিসমুখী নির্দেশ ঘিরে ব্যাংকটির অন্দরে উত্তেজনা ও ইউনিয়নের চাপ অব্যাহত রয়েছে, যা আগামী দিনগুলোতে আরও জোরালো আলোচনার জন্ম দিতে পারে।








