ফরজ ও নফল নামাজে সিজদায় দোয়া পড়ার বিধান জানাল জাগো নিউজ
নামাজের ভেতর সিজদার সময় দোয়া পাঠের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। ফরজ ও নফল নামাজে সিজদার নিয়মের এই পার্থক্য তুলে ধরেছে জাগো নিউজ।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

নামাজ ইসলামের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে শরিয়তের নির্ধারিত কিছু নিয়মকানুন ও বিধান রয়েছে। সম্প্রতি নামাজে সিজদার সময় দোয়া পাঠের বিধান নিয়ে একটি ধর্মীয় নির্দেশনা প্রকাশ করেছে গণমাধ্যম জাগো নিউজ। এই নির্দেশনায় ফরজ এবং নফল নামাজের সিজদায় কী ধরনের তাসবিহ বা দোয়া পড়া যাবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
ইসলামী বিধান অনুযায়ী, ফরজ নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে সিজদায় যাওয়ার পর কেবল নির্ধারিত তাসবিহ পাঠ করতে হয়। ফরজ নামাজে সিজদার সময় অন্য কোনো ব্যক্তিগত দোয়া বা মুনাজাত করার সুযোগ নেই। এমনকি আরবি ভাষা ছাড়া অন্য কোনো ভাষায় সিজদায় দোয়া করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ফরজ নামাজের বিধানের বিপরীত চিত্র দেখা যায় নফল নামাজের ক্ষেত্রে। নফল নামাজে সিজদার সময় কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত বিভিন্ন দোয়া পাঠ করা জায়েজ বা permissible হিসেবে গণ্য করা হয়। বান্দা নফল ইবাদতের সময় সিজদায় গিয়ে শরিয়তসম্মত দোয়াগুলো পড়তে পারেন।
নামাজের পবিত্রতা ও একাগ্রতা বজায় রাখার জন্য শরিয়তে কঠোর কিছু নিয়ম রয়েছে। হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী, সালাত বা নামাজের ভেতরে মানুষের সাধারণ কথাবার্তা কিংবা জাগতিক কোনো বিষয়ের জন্য দোয়া করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নামাজ আল্লাহর সঙ্গে বান্দার বিশেষ সংযোগ, তাই এতে কেবল ইবাদতসংক্রান্ত বিষয়গুলোই অনুমোদিত।
নামাজে পঠিতব্য একটি বিশেষ দোয়া হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। রাসুল (সা.) সিজদায় এই দোয়াটি পাঠ করতেন। দোয়াটি হলো— اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِى ذَنْبِى كُلَّهُ دِقَّهُ وَجِلَّهُ وَأَوَّلَهُ وَآخِرَهُ।
এই দোয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহর দরবারে বান্দা নিজের সব ধরনের পাপের ক্ষমা প্রার্থনা করেন। আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত বিভিন্ন হাদিস ও নির্দেশনা পর্যালোচনা করে শরিয়তের এসব বিধানের কথা তুলে ধরা হয়েছে, যা মুসলিমদের সঠিক পন্থায় ইবাদত পালনে দিকনির্দেশনা দেয়।








