মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

জায়ান্ট পান্ডার আবাসস্থল, সংরক্ষণ ও জীবনযাত্রা

জায়ান্ট পান্ডা কালো-সাদা রঙের ভালুক পরিবারের এক বিশেষ সদস্য, যাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল মূলত চীনের দুর্গম পাহাড়ি বনে সীমাবদ্ধ। চীন সরকার এই প্রাণী সুরক্ষায় ৬৭টি সংরক্ষিত এলাকা গড়ে তুলেছে এবং বর্তমানে এদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৬:০২ · ১ মিনিট পড়া

জায়ান্ট পান্ডার আবাসস্থল, সংরক্ষণ ও জীবনযাত্রা

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

জায়ান্ট পান্ডা হলো কালো-সাদা রঙের ভালুক পরিবারের একটি আকর্ষণীয় সদস্য। এই প্রাণীটির আবাসস্থল ও প্রাকৃতিক জন্ম মূলত চীনের দুর্গম পাহাড়ি বনে সীমাবদ্ধ। বিশ্বজুড়ে এই বন্যপ্রাণীটি নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল ও সংরক্ষণ প্রচেষ্টা রয়েছে, যা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে আসে। বিবিসি বাংলা, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচার (ডব্লিউ ডব্লিউ এফ) এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী জায়ান্ট পান্ডা সম্পর্কে নানা গুরুত্বপূর্ণ দিক জানা যায়।

প্রাকৃতিক এই প্রাণীটি মূলত চীনের সিচুয়ান, شانسی (শানসি), গানসু প্রদেশ এবং মিনশান ও কিনলিং পাহাড়ি অঞ্চলে পাওয়া যায়। বর্তমানে মাত্র প্রায় ২০টি বিচ্ছিন্ন বাঁশবনে জায়ান্ট পান্ড রয়েছে। এই ভৌগোলিক সীমার বাইরেও এদের সুরক্ষায় চীন সরকার উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে। চীন সরকার ৬৭টি পান্ডা সংরক্ষিত এলাকা গড়ে তুলেছে, যা তাদের বংশবৃদ্ধি ও টিকে থাকার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

শারীরিক গঠনে একটি পূর্ণবয়স্ক পান্ডার দৈর্ঘ্য প্রায় দেড় মিটার এবং কাঁধ পর্যন্ত উচ্চতা প্রায় ৯০ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। এছাড়া একটি পূর্ণবয়স্ক পান্ডার ওজন হতে পারে সর্বোচ্চ ১৫০ কেজি। এদের খাদ্যাভ্যাসও বেশ অদ্ভুত ও বিশাল; বেঁচে থাকার জন্য একটি জায়ান্ট পান্ডাকে প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ৩৮ কেজি পর্যন্ত বাঁশ খেতে হয়। এত পরিমাণ বাঁশ খাওয়ার ফলে বিপাক প্রক্রিয়ার কারণে একটি পান্ডাকে দিনে প্রায় ৫০ বার মলত্যাগ করতে হয়।

বনের গভীরে বসবাসকারী এই প্রাণীদের জীবনকাল ও সংখ্যায় অতীতে বড় ধরনের ঝুঁকি ছিল। সত্তরের দশকের শেষ দিকে পান্ডার সংখ্যা ছিল প্রায় এক হাজারেরও কম। তবে বনের বাইরে চিড়িয়াখানা ও প্রজনন কেন্দ্রে বর্তমানে ছয়শোর মতো পান্ডা আছে। বনে জায়ান্ট পান্ডা গড়ে ১৪ থেকে ২০ বছর বাঁচলেও চিড়িয়াখানা বা সংরক্ষণ কেন্দ্রে ভালো যত্নের কারণে তারা ৩০ বছর পর্যন্তও বাঁচতে পারে।

ইতিহাসে পান্ডা নিয়ে নানা রোমাঞ্চকর ঘটনা রয়েছে। ফরাসি মিশনারি আর্মান্ড ডেভিড এই প্রাণীটির বিষয়ে অবদান রেখেছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৩৬ সালে আমেরিকান নারী অভিযাত্রী রুথ হারকেস একটি জীবিত শিশু পান্ডাকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান, যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পান্ডাকে আরও পরিচিত করে তোলে। বন্যপ্রাণী হিসেবে এদের প্রকৃতি ও খাদ্যাভ্যাস সংরক্ষণে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

মডারেশনের পর প্রকাশিত হবে।

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
গবেষণায় জানা গেল ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা
বিজ্ঞান

গবেষণায় জানা গেল ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা

বিজ্ঞানীরা রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে বিলুপ্ত ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট নির্ধারণ করেছেন। গবেষণার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানার হেল ক্রিক গঠন এলাকায় পাওয়া জীবাশ্ম ব্যবহার করা হয়।

১ মিনিট পড়া
মঙ্গলে রোভার পাঠানোর সময় ভারী বস্তু ফেলে ৫ গর্ত তৈরি
বিজ্ঞান

মঙ্গলে রোভার পাঠানোর সময় ভারী বস্তু ফেলে ৫ গর্ত তৈরি

নাসা পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গলে পাঠানোর সময় এর গতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ভারী বস্তু ফেলে দিয়েছিল। ২০২০ সালের আগের ও পরবর্তী সময়ের তুলনামূলক পর্যালোচনার ভিত্তিতে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় মঙ্গলের পৃষ্ঠে নতুন পাঁচটি গর্ত তৈরির বিষয়টি উঠে এসেছে।

১ মিনিট পড়া
পারমাণবিক জ্বালানি ও বিশ্বের প্রথম বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইতিহাস
বিজ্ঞান

পারমাণবিক জ্বালানি ও বিশ্বের প্রথম বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইতিহাস

পারমাণবিক জ্বালানিতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর পরিমাণ অল্প থাকে এবং নিউট্রন মন্থর করতে গ্রাফাইট বা পানি ব্যবহার করা হয়। ১৯৫৪ সালে রাশিয়ার অবনিনস্কে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়।

১ মিনিট পড়া
ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে বৃষ্টির প্রত্যাবর্তন, ফিরছে সবুজ প্রকৃতি
বিজ্ঞান

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে বৃষ্টির প্রত্যাবর্তন, ফিরছে সবুজ প্রকৃতি

যুক্তরাজ্যে তীব্র গরম ও খরার পর সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি বৃষ্টি ফিরে এসেছে। এর ফলে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের প্রকৃতিতে ধীরে ধীরে সজীবতা ফিরতে শুরু করেছে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER