শিক্ষার উন্নয়নে জাতিসংঘের সহযোগিতা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন, সংস্কার ও আধুনিকায়নে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
ঢাকাপ্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন ও সংস্কারের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় হয়। সেখানে শিক্ষার গুণগত মান বাড়ানো, শিক্ষার্থীদের জন্য আরও কার্যকর শিক্ষা পরিবেশ তৈরি এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করার বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পায়।
শিক্ষা সংস্কারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা
শিক্ষা খাতের চলমান সংস্কার কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর অভিজ্ঞতা, কারিগরি সহায়তা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এর আগে ইউনেস্কোর সঙ্গেও বাংলাদেশের শিক্ষার মান উন্নয়ন, শিক্ষার্থী ঝরে পড়া কমানো এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির মতো বিষয় নিয়ে সহযোগিতা জোরদারের আলোচনা হয়েছে।
আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা
বর্তমান সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে এসেছে। বিশেষ করে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষার কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে শুধু অবকাঠামোগতভাবে নয়, বরং শিক্ষার গুণগত মান ও বাস্তব প্রয়োগের দিক থেকেও উন্নত করতে চায়।
কারিকুলামেও পরিবর্তনের উদ্যোগ
শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে বিদ্যমান পাঠ্যক্রম ও কারিকুলাম পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও এর আগে জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। একই সঙ্গে শিক্ষার মান উন্নয়নে চলমান প্রকল্পগুলো পর্যালোচনা করে সেগুলোর কার্যকারিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব বাড়ানোর পরিকল্পনা
বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষা খাতে দক্ষতা উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং শিক্ষার মান বৃদ্ধির উদ্যোগগুলো আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
শিক্ষা খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।





