এসএসসি খাতা পুনর্মূল্যায়নে নতুন নীতিমালা আসছে: শিক্ষামন্ত্রী
১৭ আগস্ট ঢাকায় কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন খাতা পুনর্মূল্যায়নের নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনার কথা জানান। এবারের এসএসসিতে ১২ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

১৭ আগস্ট রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে ‘কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে দেশের শিক্ষা খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং নীতিনির্ধারক ও শিক্ষাবিদেরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের ক্ষেত্রে একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন। তিনি জানান, এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য ইতোমধ্যে ১২ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে।
এত বিপুলসংখ্যক আবেদন পুনর্মূল্যায়ন প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য ইতোমধ্যে ১২ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এত বিপুলসংখ্যক আবেদন পুনর্মূল্যায়ন করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। এ কারণে খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এতে কোন ধরনের উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা যাবে, তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে।”
দেশের জনমিতি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হলে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের (টিভিইটি) বিকল্প নেই।”
অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করার বিষয়েও উদ্যোগের কথা জানানো হয়। বিদেশি শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে পড়াশোনার সুযোগ বাড়াতে ভিসা নীতি সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে অনুষ্ঠানে উল্লেখ করা হয়।
‘কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬’ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে ড. মো. সবুর খান, ইশতিয়াক আবেদিন, জেসন নিউম্যান এবং ড. অশ্বিন ফার্নান্দেজ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কিউএস, অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশ এবং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ-এর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এতে অংশ নেন।








