যাত্রাবাড়ী হত্যাকাণ্ডে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীর জবানবন্দি
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যাত্রাবাড়ীতে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাক্ষীর জবানবন্দি প্রদান করা হয়েছে। রবিবার ঢাকা ও যাত্রাবাড়ী এলাকার এই ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দেন এক মাদ্রাসা শিক্ষক।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যাত্রাবাড়ীতে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাক্ষীর জবানবন্দি প্রদান করা হয়েছে। রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এই বিচারিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। দেশজুড়ে আলোচিত এই ঘটনায় ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রত্যাশায় সংশ্লিষ্টরা ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় যাত্রাবাড়ীর কাজলায় পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে ইমাম হাসানকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাール ও এর পেছনের প্রেক্ষাপট নিয়ে ট্রাইব্যুনালে আজ গুরুত্বপূর্ণ বিবরণ তুলে ধরা হয়।
মামলার সাক্ষী ও প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ জবানবন্দি দিয়েছেন মাদ্রাসা শিক্ষক মুহাম্মদ রিদওয়ান হাসান। আদালতে দেওয়া তার এই জবানবন্দি মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এই মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ১১ জন। তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও আদালতের কার্যক্রমের বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, এর মধ্যে ৯ জন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন এবং বাকি ২ জন কারাগারে আটক আছেন। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে।
মামলার এজাহার ও তদন্তের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে যাত্রাবাড়ী জামিয়া ইসলামীয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), ছাত্রলীগ এবং যুবলীগ। এছাড়া বিচার প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত বিভিন্ন পদে থাকা ব্যক্তিরা হলেন—ইমাম হাসান (তাইম), আহমদ আব্দুল্লাহ, শেখ হাসিনা, মো. ময়নাল হোসেন ভূঁইয়া, হাবিবুর রহমান, সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, মো. ইকবাল হোসাইন, মো. মাসুদুর রহমান, এস এম শামীম,াহিদ ফেরদৌস, মো. জাকির হোসাইন, মো. ওহিদুল হক, সাজ্জাদ উজ জামান, আবুল হাসান এবং মো. শাহদাত আলী।
উল্লেখ্য, গত ১৯ জুলাইয়ের সেই ঘটনায় ২৩ থেকে ২৪ জন মাদ্রাসাছাত্র নিহত হওয়ার মর্মান্তিক তথ্যও এই বিচার প্রক্রিয়ার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার এসব মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কাজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে অব্যাহত রয়েছে।








