আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাতুলের জবানবন্দি
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রামপুরায় গুলিতে আহত মো. রাতুল হাসান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ জবানবন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ১২তম সাক্ষী হিসেবে তিনি এই জবানবন্দি দেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় রামপুরা এলাকায় গুলিতে আহত হওয়া মো. রাতুল হাসান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজের ওপর চালানো হামলার ঘটনার জবানবন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ তিনি এই জবানবন্দি উপস্থাপন করেন। ঘটনার পেছনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজের সামনে নিজের বয়ান তুলে ধরেন।
<প>বৃহস্পতিবার দেওয়া এই জবানবন্দিতে মো. রাতুল হাসান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এর ১২তম সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দিনগুলোতে রামপুরা এলাকায় সাধারণ মানুষের ওপর চালানো দমনপীড়ন ও সহিংসতার অংশ হিসেবেই তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছিল বলে ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরা হয়।<প>জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় রামপুরা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও দমনপীড়নের বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত থাকার অভিযোগে দায়ের করা এই মামলার আসামিদের বিষয়েও ট্রাইব্যুনালে তথ্য এসেছে। এই মামলার মোট চারজন আসামি রয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম, মো. রাফাত–বিন–আলম মুন, মো. রাশেদুল ইসলাম ও মো. মশিউর রহমান।<প>মামলার চার আসামির বর্তমান আইনি ও দাপ্তরিক অবস্থান সম্পর্কেও ট্রাইব্যুনালকে অবহিত করা হয়েছে। জবানবন্দি ও মামলার বিবরণ অনুযায়ী, চার আসামির মধ্যে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম এবং মো. রাফাত–বিন–আলম মুন বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে সেনানিবাসের সাবজেলে আটক রয়েছেন।<প>অন্যদিকে, এই মামলার অপর দুই আসামি মো. রাশেদুল ইসলাম ও মো. মশিউর রহমান এখনো পলাতক রয়েছেন। জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যগ্রহণের এই ধারাবাহিকতায় রাতুল হাসানের জবানবন্দি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে যুক্ত হলো।







