কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার গাড়ি ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা
কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজার গাড়ি ভাঙচুর এবং গণ অধিকার পরিষদের কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা রুজু হয়েছে। কুষ্টিয়া মডেল থানায় দায়ের করা এসব মামলায় বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা অনেককে আসামি করা হয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, মামলা দুটির কোনো আসামি এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজার গাড়ি ভাঙচুর এবং গণ অধিকার পরিষদের কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা রুজু করা হয়েছে। মঙ্গলবার কুষ্টিয়ায় এই দুটি মামলা নথিভুক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ। প্রথম আলোর তথ্যানুযায়ী, এই দুই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন মামলা দুটি রুজুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত সোমবার রাত ৮টা ২৫ মিনিটে সংসদ সদস্য আমির হামজার ব্যক্তিগত সহকারী মোমিন বিশ্বাস বাদী হয়ে একটি এজাহার দেন এবং তা কুষ্টিয়া মডেল থানায় রুজু হয়।
এমপি আমির হামজার ব্যক্তিগত সহকারী মোমিন বিশ্বাসের করা মামলাটিতে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া এই মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা ও তাঁর গাড়িতে হামলার অভিযোগে এই মামলাটি রুজু করা হয়।
অন্যদিকে, একই দিনে আরেকটি পাল্টাপাল্টি মামলা রুজু হয়েছে। গতকাল দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে গণ অধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া সদর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রুমন হোসেন বাদী হয়ে এই এজাহারটি দেন। পরবর্তীতে কুষ্টিয়া মডেল থানা এই মামলাটি রুজু করে।
গণ অধিকার পরিষদের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলা এবং মারধরের অভিযোগে দায়ের করা এই দ্বিতীয় মামলাটিতে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া এই মামলাটিতে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ৩০ থেকে ৩৫ জনকে। জামায়াত ও গণ অধিকার পরিষদের মধ্যকার বিরোধের জেরে এই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, কুষ্টিয়া মডেল থানায় রুজু হওয়া এই পাল্টাপাল্টি মামলা দুটির তদন্ত চলছে। তবে মঙ্গলবারের তথ্য অনুযায়ী, মামলা দুটির কোনো আসামি এখনো গ্রেপ্তার নেই। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।








