মিসর উপকূলে নৌকাডুবি: ২৯ বাংলাদেশি উদ্ধার, মৃত ১০
ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির পর মিসরের মারসা মাতরুহ উপকূল থেকে ২৯ জন বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। প্রায় ১০ দিন ভাসমান থাকার পর অসুস্থ হয়ে ৯ বাংলাদেশি ও ১ সুদানি নাগরিকসহ মোট ১০ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে প্রথম আলো।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ভূমধ্যসাগরে ভয়াবহ নৌকাডুবির ঘটনায় মিসরের মারসা মাতরুহ এলাকার উপকূল থেকে ২৯ জন বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তারিখে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, লিবিয়ার তবরুক থেকে গ্রিসের উদ্দেশে এই অবৈধ যাত্রার সূচনা হয়েছিল।
প্রথম আলোর তথ্য অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগরের প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নৌকাটি প্রায় ১০ দিন ধরে সাগরে ভাসমান অবস্থায় ছিল। দীর্ঘ সময় ধরে খাবার ও পানীয়ের সংকটে এবং চরম মানবেতর পরিস্থিতিতে সাগরে ভাসার কারণে যাত্রীদের শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটে।
এই ভয়াবহ যাত্রায় মোট ৪২ জন আরোহী ছিলেন। তাদের মধ্যে ৩৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক এবং ৪ জন সুদানি নাগরিক। দীর্ঘ ১০ দিন সাগরে ভাসমান থাকার পর অসুস্থ হয়ে মোট ১০ জন মারা গেছেন।
নিহত ১০ জনের মধ্যে ৯ জন বাংলাদেশি এবং ১ জন সুদানি নাগরিক। ভয়াবহ এই ট্র্যাজেডির শিকার ব্যক্তিরা সাগরে চরম কষ্টের মধ্যে মারা যান বলে জানা গেছে। তবে উদ্ধারকৃতদের সুচিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
উদ্ধার হওয়া ২৯ জন বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে বর্তমানে মিসরের মারসা মাতরুহ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে এবং তারা ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৯ জনের মধ্যে ১৮ জন বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী অত্যন্ত গুরুতর অসুস্থ ও অচেতন অবস্থায় ছিলেন। তাদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
এই পুরো পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজরদারি রাখছে কায়রোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। উদ্ধারকৃত বাংলাদেশি নাগরিকদের কল্যাণ ও দেশে ফেরানোর বিষয়ে দূতাবাস প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।








