চীন-উপসাগরীয় সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে
চীন ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মধ্যেই এই দুই অঞ্চলের পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

চীন ও উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রেক্ষাপটে এই দুই অঞ্চলের পারস্পরিক যোগাযোগ ও অংশীদারিত্বের বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্ব লাভ করেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় রিয়াদ সিজন ২০২৪-এর অংশ হিসেবে সৌদি আরবের রিয়াদে চায়নিজ প্যাভিলিয়ন দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসের ২১ তারিখে রিয়াদের বুলেভার্ড ওয়ার্ল্ডে অবস্থিত এই চীনা প্যাভিলিয়নে দর্শনার্থীদের ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে।
এই অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা কেবল সৌদি আরব পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশের সাথেও বিস্তৃত হচ্ছে। কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলোও এই সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।
সম্প্রতি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এবং আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গতিপ্রকৃতি নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদনে দুই অঞ্চলের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে।
এর আগে কূটনৈতিক সম্পর্কের অংশ হিসেবে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান বিন জাসিম আল থানি সম্প্রতি চীন সফর করেছেন। এই উচ্চপর্যায়ের সফর দুই অঞ্চলের মধ্যকার রাজনৈতিক বোঝাপড়াকে আরও সুদৃঢ় করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাণিজ্যিক ও সামুদ্রিক খাতের সহযোগিতার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে। কোস্কো শিপিং পোর্টস (COSCO Shipping Ports) সংযুক্ত আরব আমিরাতের খলিফা পোর্টে অবস্থিত সিএসপি আবু ধাবি টার্মিনাল পরিচালনাকারী যৌথ উদ্যোগের একটি নিয়ন্ত্রক অংশীদারিত্ব ধরে রেখেছে।
এছাড়াও এই অঞ্চলের প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের উন্নয়নে হিউম্যান (HUMAIN) এবং জি৪২ (G42)-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে। পাশাপাশি কৌশলগত এই জলসীমায় মার্কিন নৌবাহিনী বা ইউএস নেভির (US Navy) উপস্থিতিও রয়েছে, যা সামগ্রিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করে।








