নিজস্ব সক্ষমতায় ইউরেনিয়াম অনুসন্ধানে সৌদি আরব
সৌদি আরব নিজস্ব সক্ষমতায় ইউরেনিয়াম অনুসন্ধান ও পারমাণবিক জ্বালানি চক্র উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। তবে এ বিষয়ে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য প্রকাশ পেয়েছে। সোমবার প্রকাশিত তথ্যে এই বিষয়টি সামনে আসে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সৌদি আরব ইউরেনিয়াম অনুসন্ধান থেকে শুরু করে ইয়েলোকেক উৎপাদন পর্যন্ত সম্পূর্ণ নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দেশটি তাদের এই পারমাণবিক জ্বালানি চক্র উন্নয়নের অংশ হিসেবে বিভিন্নমুখী কৌশল নিয়ে কাজ করছে। সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা যায়।
সৌদি আরব ইউরেনিয়াম সম্পদ উন্নয়নে মূলত তিনটি নির্দিষ্ট পথে এগোচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ফসফেট সার উৎপাদনে ফসফরিক অ্যাসিড তৈরির উপজাত হিসেবে ইউরেনিয়াম আহরণ করা। এছাড়া মদিনার জাবাল সাইয়িদে চিহ্নিত ইউরেনিয়াম সম্পদ উন্নয়ন এবং ভূতাত্ত্বিক জরিপ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
মদিনার জাবাল সাইয়িদ এলাকায় ইউরেনিয়াম ও অন্যান্য খনিজ সম্পদের বিশাল ভাণ্ডার রয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জাবাল সাইয়িদে প্রায় ১১ কোটি ৪০ লাখ টন আকরিক রয়েছে। এই আকরিক পরিশোধন কার্যক্রমে সৌদি আরব ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশীদারত্ব গড়ে তুলেছে।
জাবাল সাইয়িদে পরিশোধন কার্যক্রমে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের এমপি ম্যাটেরিয়ালস এবং ফ্রান্সের ওরানোর মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছে। এর আগে গত জুলাই মাসে একটি ৩০ বছরের বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তি সই হয়েছিল।
এদিকে ইউরেনিয়াম উন্নয়ন ও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সৌদি আরব এবং যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে পার্থক্য প্রকাশ পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিস রাইট জানিয়েছেন যে, সৌদি আরবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের কোনও পরিকল্পনা নেই।
অন্যদিকে প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন সালমান স্পষ্ট করেছেন যে, সৌদির কর্মসূচি স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হবে এবং গোপনে বা অঘোষিত কোনও স্থাপনায় কার্যক্রম চালানো হবে না। তিনি আরও জানান যে, আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব ও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সহযোগিতায় এই কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়া হবে। তবে তা সত্ত্বেও সৌদি আরব আইএইএ’র অতিরিক্ত প্রটোকলে সই করবে না বলে সিদ্ধান্ত রয়েছে।








