ঢাবিতে চীন ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে নতুন হল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের আবাসন সংকট নিরসনে চীনের অর্থায়নে ২৪৪ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই হলের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১,৫০০ ছাত্রী আবাসন সুবিধা পাবেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৬:০২· ১ মিনিট পড়া

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের আবাসন সংকট দূর করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। চীনের অর্থায়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৪৪ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে 'বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল'। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে এগিয়ে চলেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই হল নির্মাণের জন্য সুনির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রেস এবং নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ি ভেঙে নির্ধারিত ওই স্থানে এই নতুন হলটি নির্মাণ করা হবে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ছাত্রীদের আবাসন সমস্যার একটি বড় সমাধান মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রকল্পের অগ্রগতির অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর হল নির্মাণ প্রকল্পের মিনিটস অব মিটিংয়ে (এমওএম) আনুষ্ঠানিকভাবে সই করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।
এই বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মিত হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক সুবিধার পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। প্রকল্পটির সফল সমাপ্তির পর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক হাজার ৫০০ জন ছাত্রী আধুনিক আবাসন সুবিধা লাভ করবেন।
উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ার সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যুক্ত রয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ড. সরদার মোহাম্মদ কেরামত আলী, লুই জুনফেং এবং মোহাম্মদ জাবেদ আলম মৃধা।
এছাড়াও এই বড় আকারের আন্তর্জাতিক সহযোগিতামূলক প্রকল্পটির সঙ্গে বেশ কয়েকটি সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিজে, চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সি (সিআইডিসিএ), শিক্ষা মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)।
সব মিলিয়ে, চীনের অর্থায়নে এই ২৪৪ কোটি টাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ প্রকল্পটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও আবাসিক ব্যবস্থাপনায় একটি বড় সংযোজন হতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সহযোগিতায় নির্ধারিত স্থানে খুব দ্রুত এই কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।








