মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধের পর পুনরায় চালুর খবরদুর্গাপূজায় ল্যাভেন্ডার শাড়িতে জয়া আহসানের নতুন লুক প্রকাশভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ১৬০ রানের লক্ষ্য, নবির লড়াকু ইনিংসসিরাজগঞ্জে বেশি দামে ডিম বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানাবিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসেমেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধের পর পুনরায় চালুর খবরদুর্গাপূজায় ল্যাভেন্ডার শাড়িতে জয়া আহসানের নতুন লুক প্রকাশভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ১৬০ রানের লক্ষ্য, নবির লড়াকু ইনিংসসিরাজগঞ্জে বেশি দামে ডিম বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানাবিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

মিওসিন যুগে দক্ষিণ আমেরিকার শীর্ষ শিকারি ছিল কুমির

নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, প্রায় ১ কোটি বছর আগে মিওসিন যুগে দক্ষিণ আমেরিকার ট্রপিক্যাল বা ক্রান্তীয় বাস্তুতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শীর্ষ শিকারি ছিল কুমিরজাতীয় প্রাণী। বিশেষ করে পুরুসসরাস নেইভেনসিস নামের প্রাগৈতিহাসিক কুমির বড় শিকার ধরার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· মিনিট পড়া

মিওসিন যুগে দক্ষিণ আমেরিকার শীর্ষ শিকারি ছিল কুমির
ছবি: ScienceDaily

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে যে, প্রায় ১ কোটি বছর আগে দক্ষিণ আমেরিকার ক্রান্তীয় বা ট্রপিক্যাল বাস্তুতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শীর্ষ শিকারি ছিল কুমিরজাতীয় প্রাণী বা ক্রোকোডিলিয়ানরা। হেসিনস্কি বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্টডক্টোরাল গবেষক অস্কার উইলসন এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন। গবেষণার ফলাফল জার্নাল অব ভার্টিব্রেট প্যালিওন্টোলজি নামক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকাশনায় প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, ১০ মিলিয়ন বা ১ কোটি বছর আগের ওই সময়ে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে প্রচুর পরিমাণে বিশাল আকৃতির প্রাণী এবং শক্তিশালী সব শিকারির বসবাস ছিল। গবেষকরা এই গবেষণার জন্য জাদুঘরের সংগ্রহে সংরক্ষিত থাকা বিভিন্ন জীবাশ্ম পরীক্ষা করেছেন। বিশেষ করে তারা তৃণভোজী প্রাণীদের জীবাশ্মীভূত অবশিষ্টাংশের ওপর থাকা কামড় এবং দাঁতের দাগ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেছেন।

অতীতের ওই সময়ে দক্ষিণ আমেরিকার একটি বিশাল অংশজুড়ে অবস্থান করেছিল এক বিশাল হ্রদ। মিওসিন যুগের এই সময়ে এই অঞ্চলে কুমির ছাড়াও অন্যান্য বেশ কিছু শক্তিশালী শিকারি প্রাণী সক্রিয় ছিল। এই শিকারিদের মধ্যে অ্যানাকোন্ডা, সাবের-টুথ স্তন্যপায়ী প্রাণী, ওড়াওে অক্ষম 'টেরর বার্ড' বা আতঙ্ক পাখি এবং সেবেসিড প্রজাতির প্রাণীরা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

গবেষকদের বিশ্লেষিত জীবাশ্মগুলোর বয়স ১০.৫ মিলিয়ন থেকে ১৬ মিলিয়ন বা ১ কোটি ৫ লাখ থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ বছর পুরনো। তৎকালীন পরিবেশ ও খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে গবেষক অস্কার উইলসন জানান, ওই সময়ে শিকারের জন্য এত বেশি পরিমাণ প্রাণী উপলব্ধ ছিল যে কেবল স্তন্যপায়ী শিকারি প্রাণীদের পক্ষে সেগুলোর সবটা খাওয়া সম্ভব ছিল না।

অস্কার উইলসন আরও উল্লেখ করেন, তাদের নতুন এই গবেষণায় স্পষ্টভাবে দেখা গেছে যে ওই অঞ্চলের প্রধান শিকারি হিসেবে কুমিরজাতীয় প্রাণীরাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল, বিশেষ করে যখন বড় আকৃতির শিকার ধরার বিষয়টি সামনে আসত। গবেষক দলটি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, জীবাশ্মগুলোতে পুরুসসরাস প্রজাতির কুমিরের তৈরি করা কামড়ের দাগের যে ঘনঘটা বা উপস্থিতি দেখা যায়, তা থেকেই প্রমাণিত হয় যে এই ট্রপিক্যাল বা ক্রান্তীয় বাস্তুতন্ত্রে এরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিকারি ছিল।

গবেষণায় উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, প্রাগৈতিহাসিক এই দানবাকৃতির কুমিরগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল পুরুসসরাস নেইভেনসিস। এই ভয়ংকর প্রজাতির কুমিরগুলো লম্বায় প্রায় ৭ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেত এবং এদের শারীরিক ওজন ছিল প্রায় ১,৮০০ কিলোগ্রাম। এই বিশাল মাপের শরীর ও শক্তির কারণে দক্ষিণ আমেরিকার প্রাচীন জলাভূমি ও নদী অববাহিকায় এই প্রজাতিটি খাদ্যশৃঙ্খলের একদম চূড়ায় অবস্থান করেছিল।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
ইন্দোনেশিয়া ও ঢাকার আকাশে বিরল রঙধনু মেঘের দেখা
বিজ্ঞান

ইন্দোনেশিয়া ও ঢাকার আকাশে বিরল রঙধনু মেঘের দেখা

সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার জাঙ্গল এবং বাংলাদেশের ঢাকার আকাশে দেখা মিলেছে এক বিরল 'রঙধনু মেঘ' বা ইরিডিসেন্ট ক্লাউডের। মূলত সূর্যালোকের সাথে মেঘের ক্ষুদ্র পানির কণা বা বরফ স্ফটিকের প্রতিক্রিয়ায় এই প্রাকৃতিক ঘটনা ঘটে থাকে।

১ মিনিট পড়া
২৫ বছর পর রহস্য ভেদ: মিল্কিওয়েতে হাইড্রোজেনহীন হিলিয়াম নোভা আবিষ্কার
বিজ্ঞান

২৫ বছর পর রহস্য ভেদ: মিল্কিওয়েতে হাইড্রোজেনহীন হিলিয়াম নোভা আবিষ্কার

বহو প্রতীক্ষার পর দীর্ঘ ২৫ বছরের গবেষণা শেষে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে আবিষ্কৃত হয়েছে একমাত্র নিশ্চিত হাইড্রোজেনহীন হিলিয়াম নোভা ভি৪৪৫ পাপিস। বিভিন্ন শক্তিশালী টেলিস্কোপের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই নক্ষত্রযুগলের প্রকৃত প্রকৃতি উন্মোচন করেছেন গবেষকরা।

১ মিনিট পড়া
ইনানী জাতীয় উদ্যানে মিলল মেঘলা চিতা সহ ২৩ প্রজাতির প্রাণী
বিজ্ঞান

ইনানী জাতীয় উদ্যানে মিলল মেঘলা চিতা সহ ২৩ প্রজাতির প্রাণী

কক্সবাজারের ইনানী জাতীয় উদ্যানে দীর্ঘ এক বছর গবেষণা চালিয়ে ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা। ক্যামেরা ট্র্যাপের মাধ্যমে এই বনে মেঘলা চিতার ছবিও পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক জার্নালে এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

১ মিনিট পড়া
ফ্লেক্স ও সেন্টিনেল-৩সি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করল ইএসএ
বিজ্ঞান

ফ্লেক্স ও সেন্টিনেল-৩সি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করল ইএসএ

উদ্ভিদের স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত চাপ মূল্যায়নের জন্য ফ্লেক্স এবং সামুদ্রিক পরিবেশ ও ফসলের ফলন পর্যবেক্ষণের জন্য সেন্টিনেল-৩সি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মহাকাশ কর্মসূচি কোপার্নিকাসের অংশ হিসেবে এই উপগ্রহগুলো কাজ করবে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER