মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধের পর পুনরায় চালুর খবরবিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসেমেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধের পর পুনরায় চালুর খবরবিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

বিশ্বজুড়ে কমছে জোনাকির সংখ্যা, ঝুঁকিতে ২০ শতাংশ প্রজাতি

বিশ্বব্যাপী আশঙ্কাজনক হারে কমে চলেছে জোনাকির সংখ্যা। আইইউসিএন ফায়ারফ্লাই স্পেশালিস্ট গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, মূল্যায়িত প্রজাতিগুলোর প্রায় ২০ শতাংশই বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। আবাসস্থল ধ্বংস, আলোকদূষণ ও কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহারসহ নানা কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · মিনিট পড়া

বিশ্বজুড়ে কমছে জোনাকির সংখ্যা, ঝুঁকিতে ২০ শতাংশ প্রজাতি
ছবি: জাগো নিউজ

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

বিশ্বজুড়ে জোনাকির সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। মূলত আবাসস্থল ধ্বংস, আলোকদূষণ, কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অনিয়ন্ত্রিত পর্যটনের কারণে বিশ্বব্যাপী জোনাকির populations বা populations-এর উত্তরোত্তর পতন ঘটছে। বেলজিয়াম, মালয়েশিয়া, জাপান, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই চিত্র দেখা গেছে।

আইইউসিএন ফায়ারফ্লাই স্পেশালিস্ট গ্রুপ ২০১৮ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের জোনাকি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণগত অবস্থা মূল্যায়নের কাজ করে আসছে। এই দলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন রাফায়েল দ্য কক (Raphael De Cock) এবং খান আরাফাত আলী। তাদের গবেষণায় জোনাকির টিকে থাকার লড়াইয়ের চিত্র উঠে এসেছে।

বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীতে জোনাকির ২ হাজার ৬০০টির বেশি প্রজাতি রয়েছে। তবে এর মধ্যে মাত্র ১৫০টির মতো প্রজাতির সংরক্ষণগত অবস্থা মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়েছে। আর এই সীমিত সংখ্যক মূল্যায়িত প্রজাতির ওপর ভিত্তি করেই উদ্বেগজনক তথ্য সামনে এসেছে, যার প্রায় ২০ শতাংশই বর্তমানে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে।

জোনাকির এই বিপন্নতার পেছনে বেশ কিছু প্রধান কারণ চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্যে অন্যতম হলো পৃথিবীর স্থলভাগের ২৩ শতাংশের বেশি এলাকায় রাতে কোনো না কোনো মাত্রায় কৃত্রিম আলো থাকা। এই ব্যাপক আলোকদূষণ এবং কৃত্রিম আলোর উপস্থিতি জোনাকির স্বাভাবিক জীবনচক্র ও প্রজননে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।

কৃত্রিম আলোর পাশাপাশি আবাসস্থল ধ্বংস এবং কৃষিকাজে কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহারও জোনাকির টিকে থাকাকে অসম্ভব করে তুলছে। জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব তো রয়েছেই, সেই সঙ্গে অনিয়ন্ত্রিত পর্যটনও এদের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। গবেষকদের মতে, প্রতিবছর ২ লাখের বেশি মানুষ জোনাকি দেখার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে যান, যা অনেক সময় এসব পোকার প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি করে।

৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে যে, জোনাকির এই বৈশ্বিক সংকট উত্তরণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় জীববৈচিত্র্য থেকে হারিয়ে যেতে পারে রাতের এই আলো ছড়ানো সুন্দর পোকাটি।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
ইন্দোনেশিয়া ও ঢাকার আকাশে বিরল রঙধনু মেঘের দেখা
বিজ্ঞান

ইন্দোনেশিয়া ও ঢাকার আকাশে বিরল রঙধনু মেঘের দেখা

সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার জাঙ্গল এবং বাংলাদেশের ঢাকার আকাশে দেখা মিলেছে এক বিরল 'রঙধনু মেঘ' বা ইরিডিসেন্ট ক্লাউডের। মূলত সূর্যালোকের সাথে মেঘের ক্ষুদ্র পানির কণা বা বরফ স্ফটিকের প্রতিক্রিয়ায় এই প্রাকৃতিক ঘটনা ঘটে থাকে।

১ মিনিট পড়া
২৫ বছর পর রহস্য ভেদ: মিল্কিওয়েতে হাইড্রোজেনহীন হিলিয়াম নোভা আবিষ্কার
বিজ্ঞান

২৫ বছর পর রহস্য ভেদ: মিল্কিওয়েতে হাইড্রোজেনহীন হিলিয়াম নোভা আবিষ্কার

বহو প্রতীক্ষার পর দীর্ঘ ২৫ বছরের গবেষণা শেষে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে আবিষ্কৃত হয়েছে একমাত্র নিশ্চিত হাইড্রোজেনহীন হিলিয়াম নোভা ভি৪৪৫ পাপিস। বিভিন্ন শক্তিশালী টেলিস্কোপের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই নক্ষত্রযুগলের প্রকৃত প্রকৃতি উন্মোচন করেছেন গবেষকরা।

১ মিনিট পড়া
ইনানী জাতীয় উদ্যানে মিলল মেঘলা চিতা সহ ২৩ প্রজাতির প্রাণী
বিজ্ঞান

ইনানী জাতীয় উদ্যানে মিলল মেঘলা চিতা সহ ২৩ প্রজাতির প্রাণী

কক্সবাজারের ইনানী জাতীয় উদ্যানে দীর্ঘ এক বছর গবেষণা চালিয়ে ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা। ক্যামেরা ট্র্যাপের মাধ্যমে এই বনে মেঘলা চিতার ছবিও পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক জার্নালে এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

১ মিনিট পড়া
ফ্লেক্স ও সেন্টিনেল-৩সি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করল ইএসএ
বিজ্ঞান

ফ্লেক্স ও সেন্টিনেল-৩সি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করল ইএসএ

উদ্ভিদের স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত চাপ মূল্যায়নের জন্য ফ্লেক্স এবং সামুদ্রিক পরিবেশ ও ফসলের ফলন পর্যবেক্ষণের জন্য সেন্টিনেল-৩সি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মহাকাশ কর্মসূচি কোপার্নিকাসের অংশ হিসেবে এই উপগ্রহগুলো কাজ করবে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER