প্রকৃতির মানসিক উপকারিতা নিয়ে কলাম প্রকাশ
ওয়াশিংটন পোস্টে একটি কলাম লিখেছেন ডানা মিলব্যাঙ্ক। কনকর্ডিয়া ইউনিভার্সিটি অব এডমন্টনের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হলি-অ্যান পাসমোর প্রকৃতির মানসিক উপকারিতা নিয়ে গবেষণা করেছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, ১৪ দিনের অনুশীলন সম্পন্নকারীদের জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি এবং ইতিবাচক অনুভূতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

প্রকৃতির মানসিক উপকারিতা নিয়ে সম্প্রতি একটি কলাম লিখেছেন ওয়াশিংটন পোস্টের কলাম লেখক ডানা মিলব্যাঙ্ক। তার এই লেখায় উঠে এসেছে প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকার বিভিন্ন ইতিবাচক দিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের নানা বিষয়ের ওপর এর প্রভাব।
এই বিষয়ে বিস্তারিত গবেষণা পরিচালনা করেছেন কনকর্ডিয়া ইউনিভার্সিটি অব এডমন্টনের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হলি-অ্যান পাসমোর। তিনি মূলত প্রকৃতির মানসিক উপকারিতা নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং এর নানান কার্যকারিতা খতিয়ে দেখেছেন।
অধ্যাপক হলি-অ্যান পাসমোরের এই গবেষণায় প্রকৃতির সঙ্গে যোগাযোগের নানাবিধ সুফল ও অনুশীলনের বিষয়টি সামনে এসেছে। তার গবেষণার ফলাফলে অংশগ্রহণকারীদের মানসিক অবস্থার একটি পরিষ্কার চিত্র পাওয়া গেছে।
গবেষণায় দেখা গেছে যে, ১৪ দিনের অনুশীলন সম্পন্নকারীদের জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির মাত্রা ৬৮ শতাংশ বেশি ছিল। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটানো সময় ও নির্দিষ্ট অনুশীলন মানুষের জীবনকে আরও সন্তুষ্টিময় করে তুলতে সাহায্য করে।
এ ছাড়া গবেষণায় আরও দেখা গেছে যে, ১৪ দিনের অনুশীলন সম্পন্নকারীদের গভীর ইতিবাচক অনুভূতির মাত্রা ৭৭ শতাংশ বেশি ছিল। এই ফলাফলগুলো প্রকৃতির ইতিবাচক মানসিক প্রভাবকে জোরালোভাবে সমর্থন করে।
ডানা মিলব্যাঙ্ক ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত তার কলামে এই সমস্ত গবেষণালব্ধ তথ্য ও বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন, যা সাধারণ মানুষের মাঝে প্রকৃতির মানসিক উপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করবে।








