প্যানিক ডিজঅর্ডার: লক্ষণ, পরিণতি ও চিকিৎসা
প্যানিক ডিজঅর্ডার একটি টেনশন বা অস্থিরতা গ্রুপের রোগ। ২৫ বছর বয়সী মাহবুব এই সমস্যায় ভুগেছেন এবং সঠিক চিকিৎসায় রোগীরা সম্পূর্ণ সুস্থ হন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

প্যানিক ডিজঅর্ডার ও তার লক্ষণ, পরিণতি এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত সচেতনতামূলক তথ্যে জানা গেছে যে এটি মূলত একটি টেনশন বা অস্থিরতা গ্রুপের রোগ। এই রোগে আক্রান্ত হলে রোগীরা বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগে থাকেন। ঢাকা, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এ ধরনের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে সচেতনতা দিন দিন বাড়ছে।
এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিভিন্ন শারীরিক লক্ষণ দেখা দিতে পারে। আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতাল সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ২৫ বছর বয়সী মাহবুব নামের এক যুবক বুক ধরফর করা, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া ও বুকে ব্যথাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগেছেন। এ ধরনের সমস্যাগুলো প্যানিক ডিজঅর্ডারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
প্যানিক ডিজঅর্ডারের নির্দিষ্ট কিছু লক্ষণ রয়েছে যা আকস্মিক হয়ে থাকে। রোগটির প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে হঠাৎ বুক ধরফর করা, শ্বাসকষ্ট হওয়া, মাথা ঝিমঝিম করা, হাত-পা অবশ হয়ে আসা এবং রোগীর মধ্যে তীব্র মৃত্যুভয় কাজ করা। এসব উপসর্গ একজন মানুষকে মানসিকভাবে ভীষণ বিপর্যস্ত করে তোলে।
বিশেষ লক্ষণীয় বিষয় হলো, প্যানিক ডিজঅর্ডারের এই লক্ষণগুলো সাধারণত হঠাৎ করেই শুরু হয়। তবে ভালো দিক হলো এগুলো স্থায়ী হয় না, বরং ১০ থেকে ২০ মিনিট পরে আপনাআপনি কমে যায়। কিন্তু স্বল্পস্থায়ী হলেও এর তীব্রতা রোগীদের চরম আতঙ্কগ্রস্ত করে তোলে।
এই রোগের পরিণতি এবং নিরাময় সম্পর্কে চিকিৎসকরা আশার বাণী শুনিয়েছেন। সঠিক সময়ে সাইকিয়াট্রিস্টের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণ করলে প্যানিক ডিজঅর্ডারে আক্রান্ত রোগীরা সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন। তাই এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।








