অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার ও এর ক্ষতিকর দিক
অ্যান্টিবায়োটিক মূলত ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে এবং সর্দি বা ফ্লুর মতো ভাইরাসের infections-এ এটি কার্যকর নয়। অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারের ফলে বমিভাব, ডায়রিয়া ও অ্যালার্জির মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে এবং এর অপব্যবহার ভবিষ্যতে ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ নিরাময় কঠিন করে তোলে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে স্বাস্থ্য সুরক্ষার অংশ হিসেবে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার এবং এর ফলে সৃষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বা প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে নতুন স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সাধারণ সর্দি, ফ্লু এবং তীব্র ব্রঙ্কাইটিসের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভাইরাস দায়ী থাকে। অ্যান্টিবায়োটিক মূলত এসব ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে না, এটি শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।
চিকিৎসকদের মতে, ভাইরাসের সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো কার্যকারিতা নেই। তা সত্ত্বেও অনেক সময় ঠান্ডা বা সাধারণ ভাইরাজজনিত অসুস্থতায় এই ওষুধ ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে মানবদেহে নানা ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারের ফলে যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে তার মধ্যে বমিভাব, ডায়রিয়া, ত্বকে ফুসকুড়ি বা র্যাশ এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জি উল্লেখযোগ্য। এসব শারীরিক জটিলতা রোগীর সামগ্রিক অবস্থাকে আরও অবনতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।
অ্যান্টিবায়োটিকের যত্রতত্র ব্যবহার কেবল তাৎক্ষণিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেই সীমাবদ্ধ থাকে না, এর অতিব্যবহার ও অপব্যবহারের সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। এর ফলে শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বা প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে।
ভবিষ্যতে এই ধরনের রেজিস্ট্যান্সের কারণে যেকোনো সাধারণ ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ নিরাময় করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় হুমকি হিসেবে বিবেচিত হয়।
তাই অপ্রয়োজনীয় ও ভুল উপায়ে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত জরুরি। সঠিক রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এ ধরনের ওষুধ গ্রহণ না করার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।








