ঘুম ভাঙার পর নির্দিষ্ট দোয়া পাঠের ফজিলত ও আমল
ঘুম থেকে জেগে নির্দিষ্ট দোয়া পাঠ করলে গুনাহ মাফ হওয়ার কথা ইসলাম ধর্মে বর্ণিত আছে। ২০২৬ সালের ২৮ আগস্ট বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মের এই গুরুত্বপূর্ণ আমল ও দোয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ঘুম থেকে জেগে নির্দিষ্ট দোয়া পাঠ করলে গুনাহ মাফ হওয়ার কথা ইসলাম ধর্মে বর্ণিত আছে। ২০২৬ সালের ২৮ আগস্ট বাংলাদেশে এই বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইসলাম ধর্মে ঘুম থেকে ওঠার পর বিভিন্ন দোয়া ও মোনাজাত করার বিধান রয়েছে, যা একজন মুমিন মুসলমানের দৈনন্দিন ইবাদতের অংশ।
ঘুম থেকে জেগে পাঠ করার মতো একাধিক দোয়া বিভিন্ন হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। এর মধ্যে নবী কারিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একটি বিখ্যাত দোয়ার আরবি উচ্চারণ হলো: 'لا إلهَ إلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَريكَ لَهُ لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الحَمْدُ وَهُوَ على كُلّ شئ قَدِيرٌ'। এই দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর এককত্ব ও তাঁর অসীম ক্ষমতার ঘোষণা দেওয়া হয়।
ঘুম ভাঙার পর পাঠ করার আরেকটি দোয়া রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে বর্ণিত রয়েছে। সেই দোয়াটি হলো: 'الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي خَلَقَ النَّوْمَ وَالْيَقَظَةَ، الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي بَعَثَنِي سَالِمًا سَوِيًّا، أَشْهَدُ أَنَّ اللَّهَ يُحْيِي الْمَوْتَى وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ'। এই দোয়ার মাধ্যমে ঘুম ও জাগরণের মালিক আল্লাহর প্রশংসা করা হয়।
ইসলামের ইতিহাসে এই দোয়াগুলোর বিশেষ গুরুত্ব ও ফজিলতের কথা উল্লেখ রয়েছে। হজরত আয়েশা (রা.) এবং আবু হোরায়রা-এর মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের বর্ণনার সঙ্গে ইসলামি বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে এই দোয়াগুলোর আমল জড়িয়ে রয়েছে। ঘুম থেকে জেগে এসব দোয়া পড়লে বান্দার আমল ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হয়।
এই দোয়াগুলো পাঠ করার পর বান্দার আমলের স্বীকৃতিস্বরূপ আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বিশেষ বাণী উচ্চারিত হওয়ার কথা পাওয়া যায়। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, বান্দার এই ইবাদতের পর 'আমার বান্দা সত্য বলেছেন' বলে ঘোষণা করেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা।
ঘুম থেকে জেগে নির্দিষ্ট দোয়া পাঠ করলে গুনাহ মাফ হওয়ার কথা ইসলাম ধর্মে বর্ণিত আছে—এই মূল বার্তাটি দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করে। ২০২৬ সালের ২৮ আগস্টে বাংলাদেশে এই আমল ও দোয়াগুলোর চর্চা ইসলামি জীবনব্যবস্থার একটি সুন্দর ও তাৎপর্যপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।








