মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

কৃত্রিম স্যাটেলাইটের উপচে পড়া ভিড় ও মহাকাশঝুঁকি

নিম্ন ভূ-কক্ষে কৃত্রিম উপগ্রহের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় মহাকাশ ও পৃথিবীতে নিরাপত্তা, মহাকাশ বর্জ্য এবং সংঘর্ষের ঝুঁকি বাড়ছে। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিভিন্ন গবেষণায় এই আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· মিনিট পড়া

কৃত্রিম স্যাটেলাইটের উপচে পড়া ভিড় ও মহাকাশঝুঁকি
ছবি: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে কৃত্রিম স্যাটেলাইটের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে। এর ফলে মহাকাশ ও পৃথিবীতে নিরাপত্তা, মহাকাশ বর্জ্য এবং সংঘর্ষের মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে এই বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে তীব্র আলোচনা চলছে। ২০১৯ সালের মে মাসে স্পেসএক্স তাদের স্টারলিংক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের কাজ পুরোদমে শুরু করে এবং একধাপে ৬০টি স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠায়। এরপর থেকে নিম্ন ভূ-কক্ষে স্যাটেলাইটের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত মার্চ মাসেই স্পেসএক্সের সক্রিয় স্যাটেলাইটের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। সারা বিশ্বে তাদের ইন্টারনেট গ্রাহক এখন এক কোটির বেশি। তবে এই ক্রমবর্ধমান নেটওয়ার্কের কারণে মহাকাশে বিপদের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের এক রিপোর্ট অনুযায়ী, স্টারলিংক স্যাটেলাইটের আড়াই কেজি ওজনের একটি জ্বলন্ত টুকরো কানাডার সাসকাচোয়ানের এক খামারির জমিতে এসে পড়েছে।

মহাকাশ নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এই বিশেষজ্ঞদের মধ্যে রয়েছেন রেজিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী সামান্থা ললার, যিনি কানাডার একটি পল্লিতে বাস করেন। এ ছাড়া এই বিষয়ে যুক্ত আছেন জিওভান্নি লাভেজ্জি, হিউ লুইস, ইলন মাস্ক, রুথ প্রিচার্ড-কেলি এবং স্টিন লেমেনস। তাদের সাথে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন—স্পেসএক্স, স্টারলিংক, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি), ইউনিভার্সিটি অব বার্মিংহাম, চীন সরকার, স্টারক্লাউড, ব্লু অরিজিন এবং ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা কাজ করছে

মহাকাশে স্যাটেলাইটের এই দ্রুত বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে বিশাল সব পরিকল্পনা। বর্তমানে পৃথিবীর চারপাশে প্রায় ১৫ হাজার স্যাটেলাইট ঘুরছে। তবে আগামী দিনে মহাকাশে প্রায় ২০ লাখ নতুন স্যাটেলাইট পাঠানোর এক বিশাল পরিকল্পনা চলছে। এর মধ্যে কেবল ২০২৬ সালেই চীন সরকার ২ লাখ নতুন স্যাটেলাইট চেয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের স্টারক্লাউড চেয়েছে ৮৮ হাজার এবং ব্লু অরিজিন চেয়েছে ৫১ হাজার নতুন স্যাটেলাইট।

নিম্ন ভূ-কক্ষে এই বিপুল পরিমাণ স্যাটেলাইট রাখার ধারণক্ষমতা কতটুকু, তা নিয়ে গবেষকরা নানা হিসাব কষেছেন। ২০২২ সালের একটি গবেষণা অনুযায়ী, ২০০ থেকে ৯০০ কিলোমিটার উচ্চতার মধ্যে হয়তো ১ কোটি ২৬ লাখের মতো মহাকাশযান রাখা সম্ভব। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই সীমা ১ কোটি থেকে ১০ কোটির মধ্যে যেকোনো সংখ্যা হতে পারে। তবে ধারণক্ষমতার চেয়েও বড় শঙ্কার বিষয় হলো মহাকাশে স্যাটেলাইটগুলোর নিয়ন্ত্রণ হারানোর ও সংঘর্ষের ঝুঁকি। ২০০৯ সালে মার্কিন ও বাতিল রুশ স্যাটেলাইটের মধ্যে এ যাবৎকালের একমাত্র বড় সংঘর্ষটি হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
ইন্দোনেশিয়া ও ঢাকার আকাশে বিরল রঙধনু মেঘের দেখা
বিজ্ঞান

ইন্দোনেশিয়া ও ঢাকার আকাশে বিরল রঙধনু মেঘের দেখা

সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার জাঙ্গল এবং বাংলাদেশের ঢাকার আকাশে দেখা মিলেছে এক বিরল 'রঙধনু মেঘ' বা ইরিডিসেন্ট ক্লাউডের। মূলত সূর্যালোকের সাথে মেঘের ক্ষুদ্র পানির কণা বা বরফ স্ফটিকের প্রতিক্রিয়ায় এই প্রাকৃতিক ঘটনা ঘটে থাকে।

১ মিনিট পড়া
২৫ বছর পর রহস্য ভেদ: মিল্কিওয়েতে হাইড্রোজেনহীন হিলিয়াম নোভা আবিষ্কার
বিজ্ঞান

২৫ বছর পর রহস্য ভেদ: মিল্কিওয়েতে হাইড্রোজেনহীন হিলিয়াম নোভা আবিষ্কার

বহو প্রতীক্ষার পর দীর্ঘ ২৫ বছরের গবেষণা শেষে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে আবিষ্কৃত হয়েছে একমাত্র নিশ্চিত হাইড্রোজেনহীন হিলিয়াম নোভা ভি৪৪৫ পাপিস। বিভিন্ন শক্তিশালী টেলিস্কোপের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই নক্ষত্রযুগলের প্রকৃত প্রকৃতি উন্মোচন করেছেন গবেষকরা।

১ মিনিট পড়া
ইনানী জাতীয় উদ্যানে মিলল মেঘলা চিতা সহ ২৩ প্রজাতির প্রাণী
বিজ্ঞান

ইনানী জাতীয় উদ্যানে মিলল মেঘলা চিতা সহ ২৩ প্রজাতির প্রাণী

কক্সবাজারের ইনানী জাতীয় উদ্যানে দীর্ঘ এক বছর গবেষণা চালিয়ে ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা। ক্যামেরা ট্র্যাপের মাধ্যমে এই বনে মেঘলা চিতার ছবিও পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক জার্নালে এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

১ মিনিট পড়া
ফ্লেক্স ও সেন্টিনেল-৩সি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করল ইএসএ
বিজ্ঞান

ফ্লেক্স ও সেন্টিনেল-৩সি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করল ইএসএ

উদ্ভিদের স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত চাপ মূল্যায়নের জন্য ফ্লেক্স এবং সামুদ্রিক পরিবেশ ও ফসলের ফলন পর্যবেক্ষণের জন্য সেন্টিনেল-৩সি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মহাকাশ কর্মসূচি কোপার্নিকাসের অংশ হিসেবে এই উপগ্রহগুলো কাজ করবে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER