ইমোজি ব্যবহারের ইসলামিক বিধান ও সামাজিক মাধ্যমের প্রভাব
ফেসবুক ও মেসেঞ্জারে ৩ হাজার ৭৯০টির বেশি ইমোজি ব্যবহার করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ইমোজি ব্যবহারকারীদের বার্তা অনেক বেশি আন্তরিক বলে মনে হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ফেসবুক ও মেসেঞ্জারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাব প্রকাশের জন্য বর্তমানে নানা ধরনের প্রতিকৃতি বা ইমোজি ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। বর্তমান ডিজিটাল যুগে এসব প্ল্যাটফর্মে ৩ হাজার ৭৯০টির বেশি ইমোজি রয়েছে।
দৈনন্দিন ভার্চুয়াল যোগাযোগে এই ছোট্ট চিত্রগুলোর ব্যবহার মানুষের পারস্পরিক ভাববিনিময়কে আরও সহজ করে তুলেছে। বিশেষ করে অনলাইনে বার্তা আদান-প্রদানের সময় মনের ভাব সঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে এগুলোর জুড়ি মেলা ভার।
সামাজিক মাধ্যমে জীবন্ত প্রাণীর প্রতিকৃতি সংবলিত ইমোজি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইসলামিক বিধান নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে। ইসলাম ধর্মে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা ও নির্দেশনা অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এই বিষয়ে ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন নির্দেশনায় আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা.) এবং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুনির্দিষ্ট বক্তব্য ও হাদিসের প্রসঙ্গ রয়েছে। ইসলামি শরিয়তে জীবন্ত প্রাণীর চিত্র বা প্রতিকৃতি তৈরির বিষয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
তবে ডিজিটাল যোগাযোগের এই যুগে শুধু বিনোদন বা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ইমোজির ব্যবহার কীভাবে মূল্যায়িত হবে, তা নিয়ে ইসলামি গবেষক ও উলামায়ে কেরামরা বিভিন্ন সময়ে আলোকপাত করে থাকেন।
অন্যদিকে, ভার্চুয়াল যোগাযোগের কার্যকারিতা নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা থেমে নেই। যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, নিয়মিত ইমোজি ব্যবহারকারীদের বার্তা প্রাপকের কাছে আরও বেশি আন্তরিক বলে মনে হয়।
সব মিলিয়ে, সামাজিক মাধ্যমে জীবন্ত প্রাণীর প্রতিকৃতিযুক্ত ইমোজির ব্যবহার একদিকে যেমন বৈজ্ঞানিক ও মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকে যোগাযোগের মান বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী এর ব্যবহার নিয়ে সতর্কতা বজায় রাখাও জরুরি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।








