জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থগিত পরীক্ষার ভুয়া রুটিন প্রচার
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের অনার্স প্রথম বর্ষের 'ইন্ট্রোডাকশন টু সোশ্যাল ওয়ার্ক' বিষয়ের স্থগিত পরীক্ষার একটি ভুয়া রুটিন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরীক্ষার পরিবর্তিত তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
প্রকাশ: · আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৬:০১· ১ মিনিট পড়া

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের অনার্স প্রথম বর্ষের একটি বিষয়ের স্থগিত পরীক্ষা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ইন্ট্রোডাকশন টু সোশ্যাল ওয়ার্ক' বিষয়ের স্থগিত পরীক্ষার একটি নতুন সময়সূচি বা রুটিন ব্যাপকভাবে প্রচার করা হচ্ছে।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত এই রুটিনটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করার জন্যই এই অসত্য তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তর সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, 'ইন্ট্রোডাকশন টু সোশ্যাল ওয়ার্ক' বিষয়ের স্থগিত পরীক্ষার পরিবর্তিত তারিখ এখনো নির্ধারণ বা ঘোষণা করা হয়নি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই নতুন সময়সূচির কোনো ভিত্তি নেই।
সাধারণত এ ধরনের পাবলিক পরীক্ষার কোনো ধরনের পরিবর্তন, স্থগিতাদেশ কিংবা নতুন তারিখ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়ে থাকে। কিন্তু বর্তমানের এই প্রচারিত রুটিনটির ক্ষেত্রে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীদের এ ধরনের ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য বা রুটিন থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত অসত্য তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিশেষভাবে বলা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্থগিত হওয়া 'ইন্ট্রোডাকশন টু সোশ্যাল ওয়ার্ক' বিষয়ের পরীক্ষার নতুন তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। পরবর্তীতে যখনই এই পরীক্ষার নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হবে, তা নিশ্চিত করা হবে।
পরীক্ষার নতুন তারিখ নির্ধারিত ও চূড়ান্ত হওয়ার পর তা আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। তাই পরীক্ষার্থীদের যেকোনো তথ্যের জন্য কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।








