স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও দেখায় কমে মস্তিষ্কের একাংশের কার্যক্রম
নিউরোইমেজ সাময়িকীতে প্রকাশিত নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, রিলস বা শর্টসের মতো স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও দেখার সময় মস্তিষ্কের মনোযোগ, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে যুক্ত অংশের কার্যক্রম কমে যায়। গবেষণায় ৫৬ জন তরুণ-তরুণীর মস্তিষ্কের কার্যক্রম গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। তবে দীর্ঘ মেয়াদে মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি বা কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

রিলস বা শর্টসের মতো স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও দেখার সময় মানুষের মস্তিষ্কের কার্যক্রমে পরিবর্তন আসে। সম্প্রতি নিউরোইমেজ সাময়িকীতে প্রকাশিত নতুন এক গবেষণার ফলাফলে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও দেখার সময় মস্তিষ্কের মনোযোগ, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে যুক্ত কিছু অংশের কার্যক্রম কমে যায়।
চলতি ২০২৫ সালে গবেষক নিকোলাস বার্টন ও মাইকেল স্মাইথ এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন। গবেষণার অংশ হিসেবে ৫৬ জন তরুণ-তরুণীর মস্তিষ্কের কার্যক্রম গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের ওপর পরিচালিত এই পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও দেখার প্রভাবগুলো বিশ্লেষণ করা হয়।
গবেষণায় যে ভিডিওগুলো ব্যবহার করা হয়েছিল, সেগুলোর বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল। জানা গেছে, এই গবেষণায় ব্যবহৃতবেশির ভাগ ভিডিওর দৈর্ঘ্য ছিল ৩০ সেকেন্ডের কম। স্বল্পসময়ের এই ভিডিওগুলো দেখার সময় মানুষের মস্তিষ্কে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়, তা নিরূপণ করা হয়।
অংশগ্রহণকারী তরুণ-তরুণীদের মস্তিষ্কের কার্যক্রমে কী ধরনের পরিবর্তন হয়ে থাকে, তা জানতে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। গবেষণায় মস্তিষ্কের ভেতরের অবস্থা জানতে ফাংশনাল ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং (এফএমআরআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
মেটা, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম কিংবা ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মে প্রচলিত এই ধরনের স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও নিয়ে মানুষের মাঝে নানা শঙ্কা থাকে। তবে এই গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করা হয়েছে। রিলস বা শর্টস দেখলে দীর্ঘ মেয়াদে মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি হয় বা মস্তিষ্কের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়—গবেষণায় এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।








