আজ বিশ্ব মশা দিবস, মশার ইতিহাস ১০ কোটি বছরের পুরোনো
আজ ২০ আগস্ট ২০২৬ বিশ্ব মশা দিবস পালিত হচ্ছে। মশাবাহিত রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি ও ব্রিটিশ চিকিৎসক স্যার রোনাল্ড রসের আবিষ্কারকে সম্মান জানাতে এই দিবস পালিত হয়। বিজ্ঞানীদের মতে, মশার জীবাশ্মের ইতিহাস প্রায় ১০ কোটি বছরের পুরোনো।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

আজ ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বিশ্বজুड़े বিশ্ব মশা দিবস পালিত হচ্ছে। এই বিশেষ দিনটি পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, মশার বিস্তার রোধ করা এবং ব্রিটিশ চিকিৎসক স্যার রোনাল্ড রসের ঐতিহাসিক ম্যালেরিয়া আবিষ্কারকে যথাযথ সম্মান জানানো।
মশা এবং মানবজাতির ইতিহাস নিয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্যে দেখা যায়, আধুনিক মশার পূর্বপুরুষ বা মশার জীবাশ্মের প্রমাণ অন্তত প্রায় ১০ কোটি বছরের পুরোনো। অর্থাৎ, ডাইনোসর পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাওয়ার অনেক আগেই এই ক্ষুদ্র পতঙ্গের অস্তিত্ব পৃথিবীতে ছিল।
ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, ডাইনোসর প্রায় ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগে পৃথিবী থেকে চিরতরে হারিয়ে গেছে। অন্যদিকে, আধুনিক মানুষের আবির্ভাব ঘটেছে প্রায় ৩ লাখ বছর আগে। এই কালপঞ্জি থেকেই স্পষ্ট হয় যে, ডাইনোসর বা আধুনিক মানুষের চেয়েও অনেক প্রাচীন মশার বংশধররা।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আধুনিক মশা যে কিউ-লিসী-ডি পরিবারভুক্ত, তাদের প্রাচীন প্রজাতির জীবাশ্মের অস্তিত্ব সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলেছে। এই জীবাশ্মগুলো ক্রিটেসিয়াস যুগের অ্যাম্বারে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া গেছে।
মশার প্রাচীন এই জীবাশ্মগুলো উদ্ধার করা হয়েছে মিয়ানমারের কাচিন অঞ্চল থেকে। সেখানকার অ্যাম্বারে সংরক্ষিত জীবাশ্মগুলো দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা মশার প্রাচীনত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন।
বিশ্ব মশা দিবসে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। স্যার রোনাল্ড রসের অবদান স্মরণ করার পাশাপাশি মশার বিস্তার রোধে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।








