মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

৪৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে ছাড়ার উদ্যোগ

সরকার দেশের ৪৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে চিনিকলগুলোর আখ চাষের ১০ হাজার একর কৃষিজমিও নিলামে তোলা হবে। বিষয়টি নিয়ে অতীতে বিশ্বব্যাংকের বিরাষ্ট্রীয়করণ সংক্রান্ত প্রতিবেদনের বিভিন্ন তথ্যও সামনে এসেছে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১২ · ১ মিনিট পড়া

৪৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে ছাড়ার উদ্যোগ

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার একটি নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিভিন্ন চিনিকলের আখ চাষের আওতায় থাকা ১০ হাজার একর কৃষিজমিও নিলামে তোলার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের ফেলে যাওয়া বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রথমে রাষ্ট্রায়ত্ত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের মধ্যে দেশের মোট শিল্পের ৯২ শতাংশ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যবস্থার অধীনে চলে আসে। তবে পরবর্তীতে এই ধারায় পরিবর্তন আসে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অতীতে সরকার বিরাষ্ট্রীয়করণের পথে হেঁটে ৪৮৮টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান বিভিন্নভাবে বেসরকারি খাতে হস্তান্তর করেছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ ও কার্যক্রম নিয়ে পরবর্তীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার পক্ষ থেকেও পর্যালোচনা চালানো হয়।

বিশেষ করে ১৯৯৪ সালে বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিরাষ্ট্রীয়কৃত ওই ৪৮৮টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ওপর একটি বিশদ জরিপ চালানো হয়েছিল। সেই জরিপের ফলাফল থেকে তৎকালীন বেসরকারিকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি করুণ চিত্র বেরিয়ে আসে।

বিশ্বব্যাংকের ১৯৯৪ সালের ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিরাষ্ট্রীয়করণের শিকার হওয়া ৪৮৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সে সময় মাত্র ২১৪টি প্রতিষ্ঠান চালু অবস্থায় ছিল, যা মোট সংখ্যার ৪৩.৯ শতাংশ। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশিরভাগই বিভিন্ন জটিলতার মুখে পড়ে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জরিপভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৩৩টি প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, যার হার ছিল ২৭.৩ শতাংশ। অন্যদিকে, আরও ১৪১টি প্রতিষ্ঠানের সে সময় কোনো হদিস বা অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি, যা ছিল মোট প্রতিষ্ঠানের ২৮.৯ শতাংশ।

সব মিলিয়ে ১৯৯৪ সালের ওই জরিপে ২৭৪টি বা ৫৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠানই হয় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল নতুবা কার্যত অদৃশ্য হয়ে পড়েছিল। অন্যদিকে, বর্তমান সময়ে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উৎপাদিত সাত সহস্রাধিক পণ্য শূন্য শুল্কে বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে। এমন এক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন করে ৪৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার এই সরকারি উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: সমকাল

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

মডারেশনের পর প্রকাশিত হবে।

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশন শুরু, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
অর্থনীতি

জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশন শুরু, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু হয়েছে। বৈশ্বিক ভূরাজনীতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে।

১ মিনিট পড়া
ফ্রান্সে জ্বালানি তেলের চড়া দাম, ঝুঁকছেন চালকরা
অর্থনীতি

ফ্রান্সে জ্বালানি তেলের চড়া দাম, ঝুঁকছেন চালকরা

ফ্রান্সে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় চালকরা কম খরচে চলা বায়োথানল জ্বালানির দিকে ঝুঁকছেন। দেশটিতে বর্তমানে প্রতি লিটার বায়োথানল ৯৫ সেন্টে পাওয়া যাচ্ছে।

১ মিনিট পড়া
তিউনিসিয়ায় অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও বাড়ছে বোট নির্মাণ শিল্প
অর্থনীতি

তিউনিসিয়ায় অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও বাড়ছে বোট নির্মাণ শিল্প

তিউনিসিয়ায় অর্থনৈতিক মন্থরতা সত্ত্বেও বোট নির্মাণ শিল্প উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২৪ সালে একটি বাণিজ্য সংস্থার মাধ্যমে এই খাতটি পুনর্গঠিত হয়। এছাড়া দেশটিতে বোট তৈরির জন্য বিদেশি কারখানা স্থাপন করা হয়েছে।

১ মিনিট পড়া
সরকারি চাকরিজীবীদের প্রারম্ভিক মূল বেতন শতভাগ বৃদ্ধি
অর্থনীতি

সরকারি চাকরিজীবীদের প্রারম্ভিক মূল বেতন শতভাগ বৃদ্ধি

নতুন বেতনকাঠামোয় বাংলাদেশের সরকারি চাকরিজীবীদের প্রারম্ভিক মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন গ্রেডে নতুন এই মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER