জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশন শুরু, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু হয়েছে। বৈশ্বিক ভূরাজনীতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে শুরু হওয়া এই উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে বৈশ্বিক ভূরাজনীতি এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও কৌশল নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে।
বর্তমান বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার সামনে বেশ কিছু বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এর মধ্যে দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন নীতিমালা ও রূপান্তর প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এই অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলোর একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন বাণিজ্য নীতি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্বন বর্ডার অ্যাডজাস্টমেন্ট মেকানিজম বা সিবিএএম ইতিমধ্যে ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সিবিএএম চালুর ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যে এবং উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর রপ্তানি খাতে নানা প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই ধরনের বৈশ্বিক নীতি ও পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বাংলাদেশকে তাদের নিজস্ব অর্থনৈতিক কৌশল নির্ধারণ করতে হচ্ছে।
বাণিজ্যিক এই চ্যালেঞ্জগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় মাইলফলক অর্জিত হতে যাচ্ছে চলতি বছরই। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, আগামী ২৪ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের বা এলডিসির তালিকা থেকে চূড়ান্তভাবে উত্তরণের কথা রয়েছে।
স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে এই উত্তরণ বাংলাদেশের জন্য যেমন মর্যাদাপূর্ণ, তেমনি এর সাথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কিছু শুল্ক সুবিধা হারানোর মতো অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জও জড়িত। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এই অধিবেশনে বাংলাদেশের এসব অর্থনৈতিক কৌশল ও উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচিত হচ্ছে।








