মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অনুষ্ঠিত হলো ৩৬তম ইগ নোবেল পুরস্কার

গত বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জুরিখে ৩৬তম ইগ নোবেল পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্যারোডি পুরস্কার অনুষ্ঠানে এ বছর চুমুর সংজ্ঞা নির্ধারণ, তেলাপোকার দুধ এবং ধনীদের চকলেট ছিনিয়ে নেওয়ার মতো বিভিন্ন গবেষণার জন্য গবেষকদের সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে মার্ক আব্রাহাম যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ নিয়ে মন্তব্য করেন।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অনুষ্ঠিত হলো ৩৬তম ইগ নোবেল পুরস্কার

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

গত বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জুরিখে ৩৬তম ইগ নোবেল পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। এটি মূলত নোবেল পুরস্কারের একটি প্যারোডি, যা ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে ইমপ্রোবেবল রিসার্চ এবং দ্য অ্যানালস অব ইমপ্রোবাবেল রিসার্চ। বৈচিত্র্যময় ও কৌতূহলোদ্দীপক গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিবছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

এবারের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগে একাধিক গবেষক ও গবেষকদল সম্মাননা অর্জন করেছেন। এর মধ্যে এ বছর চুমুর সংজ্ঞা নির্ধারণের গবেষণা বায়োমেকানিকস বিভাগে সম্মাননা লাভ করেছে। বিজ্ঞান বিশ্বে এই গবেষণাটি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অর্থনীতি বিভাগে ইগ নোবেল পুরস্কার জিতেছেন এমন একদল গবেষক, যারা প্রমাণ করেছেন যে ধনী ব্যক্তিরা শিশুদের হাত থেকে চকলেট বেশি ছিনিয়ে নেয়। এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন পল পিফ, ড্যানিয়েল স্টানকাটো, স্টেফান কোটে, রোডোলফো মেনডোজা-ডেন্টন এবং ড্যাচার কেল্টনার।

রসায়ন বিভাগে সম্মাননা পেয়েছেন তেলাপোকার দুধের গুণাগুণ আবিষ্কারকারী গবেষকেরা। এই গবেষণায় উঠে এসেছে যে জীবন্ত প্রসবকারী তেলাপোকার দুধের প্রোটিন গরুর দুধের প্রোটিনের তুলনায় তিন গুণ বেশি শক্তি ধারণ করে। এই আবিষ্কার বিজ্ঞান মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

অনুষ্ঠানে সমাপনী ও অন্যান্য কার্যক্রমে মার্ক আব্রাহামের সঙ্গে আরও যুক্ত ছিলেন মাটিল্ডা বৃন্দল, ক্যাথরিন ট্যালবট, স্টুয়ার্ট ওয়েস্ট, সঞ্চলারি ব্যানার্জি, নাথান কৌসেন্স, ফ্রাঁসোয়া-জেভিয়ার গ্যালাট, নীতিশ সত্যনারায়ণন, জন্ধ্যাম শ্রীকান্ত, কোইচিরো ইয়াগি, জেমস গ্রে, স্নীফেন টোবে, বারবারা স্টে, লিওনার্ড চাভাস, সুব্রমানিয়াম রামাস্বামী, তোকুজি উন্নো, জোয়াও মিগুয়েল আলভেস-নুনেস, আদ্রিয়ানো ফেলোনে, সেলমা মারিয়া আলমেইডা-সান্তোস, কার্লোস রবার্তো ডি মেইডেরোস, ইভান সাজিমা, ওতাভিও অগাস্টো ভুওলো মার্কেস, র‍্যান্ডি হার্ড, ঝাও প্যান, ট্যাড ট্রাসকট এবং কাভেশান থুরাইরাজাহ।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বৈজ্ঞানিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিজ্ঞানীরা ল্যাবে ৭৫টি বিষধর পিট ভাইপারের মুখোমুখি হয়েছিলেন, যা গবেষণার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আয়োজক মার্ক আব্রাহাম একটি বিশেষ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, 'গত এক বছরে আমাদের অতিথিদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করা অনিরাপদ হয়ে উঠেছে।' এই বক্তব্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ের প্রতিও ইশারা করা হয়।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

মডারেশনের পর প্রকাশিত হবে।

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
গবেষণায় জানা গেল ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা
বিজ্ঞান

গবেষণায় জানা গেল ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা

বিজ্ঞানীরা রাসায়নিক বিশ্লেষণ করে বিলুপ্ত ডাইনোসর টি-রেক্সের শরীরের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট নির্ধারণ করেছেন। গবেষণার কাজে যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানার হেল ক্রিক গঠন এলাকায় পাওয়া জীবাশ্ম ব্যবহার করা হয়।

১ মিনিট পড়া
মঙ্গলে রোভার পাঠানোর সময় ভারী বস্তু ফেলে ৫ গর্ত তৈরি
বিজ্ঞান

মঙ্গলে রোভার পাঠানোর সময় ভারী বস্তু ফেলে ৫ গর্ত তৈরি

নাসা পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গলে পাঠানোর সময় এর গতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ভারী বস্তু ফেলে দিয়েছিল। ২০২০ সালের আগের ও পরবর্তী সময়ের তুলনামূলক পর্যালোচনার ভিত্তিতে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় মঙ্গলের পৃষ্ঠে নতুন পাঁচটি গর্ত তৈরির বিষয়টি উঠে এসেছে।

১ মিনিট পড়া
পারমাণবিক জ্বালানি ও বিশ্বের প্রথম বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইতিহাস
বিজ্ঞান

পারমাণবিক জ্বালানি ও বিশ্বের প্রথম বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইতিহাস

পারমাণবিক জ্বালানিতে ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর পরিমাণ অল্প থাকে এবং নিউট্রন মন্থর করতে গ্রাফাইট বা পানি ব্যবহার করা হয়। ১৯৫৪ সালে রাশিয়ার অবনিনস্কে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়।

১ মিনিট পড়া
ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে বৃষ্টির প্রত্যাবর্তন, ফিরছে সবুজ প্রকৃতি
বিজ্ঞান

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে বৃষ্টির প্রত্যাবর্তন, ফিরছে সবুজ প্রকৃতি

যুক্তরাজ্যে তীব্র গরম ও খরার পর সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি বৃষ্টি ফিরে এসেছে। এর ফলে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের প্রকৃতিতে ধীরে ধীরে সজীবতা ফিরতে শুরু করেছে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER