মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

সাতক্ষীরায় মাছের ঘেরের শেওলা বিক্রি করে নতুন জীবিকা

সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা ও আশাশুনি উপজেলায় মাছের ঘেরের অতিরিক্ত শেওলা সংগ্রহ করে বিক্রি করা হচ্ছে। এই শেওলা স্থানীয়ভাবে 'কাটা শেলা' নামে পরিচিত এবং এটি সাদা মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের নতুন জীবিকা ও অর্থনীতি সৃষ্টি হয়েছে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:১৩ · ১ মিনিট পড়া

সাতক্ষীরায় মাছের ঘেরের শেওলা বিক্রি করে নতুন জীবিকা

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা ও আশাশুনি উপজেলায় মাছের ঘের থেকে অতিরিক্ত শেওলা সংগ্রহ করে তা বিক্রি করার মাধ্যমে এক নতুন জীবিকা ও অর্থনীতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রথম আলো-র তথ্যানুযায়ী, গত শুক্রবার এই এলাকার মাছের ঘেরগুলোতে এই ব্যতিক্রমী কার্যক্রম দেখা গেছে। স্থানীয়ভাবে এই শেওলাকে 'কাটা শেলা' বলা হয়ে থাকে।

নোনাপানির ঘেরে শেওলা বেশি হয় এবং অতিরিক্ত শেওলা হলে তা পরিষ্কার করতে হয়। এ বিষয়ে অজিয়ার রহমান জানান, তাঁর ১৫ বিঘা জমির ঘের রয়েছে। তিনি বলেন, ঘেরে শেওলা বেশি হলে চিংড়ির পোনা চলাচলে সমস্যা হয় এবং এতে চিংড়ির বৃদ্ধিও কমে যায়। অন্যদিকে, খলিলুর রহমান জানান যে তাঁর ঘেরেই শেওলা বড্ড বেশি হয়ে গিয়েছিল এবং এমনি এমনি ঘের ভরে যায় শেওলায়। তিনি তাঁর ঘেরের এই শেওলা এক ভ্যান ৭০০ টাকায় বিক্রি করেছেন।

সংগৃহীত এই শেওলা অর্থনৈতিকভাবেও বেশ গুরুত্ব বহন করছে। এক ভ্যান শেওলা ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। লুৎফর রহমান জানিয়েছেন, ঘেরে শেওলা প্রায় সব জায়গাতেই হয় এবং অতিরিক্ত হলে তা পরিষ্কার করতে হয়। এগুলো তিনি সাদা মাছের ঘেরের মালিকদের কাছে বিক্রি করেন। রাজকুমার গাইন এই কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, "ঘেরও পরিষ্কার হচ্ছে, সঙ্গে আমার আয়ও হচ্ছে।"

সংগৃহীত এই অতিরিক্ত শেওলা পরবর্তীতে কার্পজাতীয় বা সাদা মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আমিনুর রহমান, যাঁর ১২ বিঘার ঘের রয়েছে, তিনি জানিয়েছেন যে সাদা মাছ এই শেওলা খুব খায়। তাই মাছের খাবারের জন্য তিনি শেওলা কিনে ঘেরে ফেলেন।

এই শেওলা সংগ্রহ ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের জীবনযাত্রায়ও এর প্রভাব পড়েছে। আবু সাঈদ নামের এক ব্যক্তি জানান, নোনাপানির ঘের থেকে শেওলা সংগ্রহ করে তিনি মিষ্টিপানির সাদা মাছের ঘেরে বিক্রি করেন। তাঁর মতে, এলাকায় অন্য কাজের সুযোগ কম থাকায় তিনি বছরের পাঁচ থেকে ছয় মাস শেওলা সংগ্রহ আর বিক্রি করেন। এই কাজে তাঁর দিনে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয়। তবে শীত এলে শেওলা কমে যায়, আর তখন তিনি দিনমজুরির কাজ করেন।

সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য অফিসের তথ্য এবং স্থানীয়দের এই উদ্যোগের ফলে একদিকে যেমন চিংড়ি ঘেরের মালিকরা অতিরিক্ত শেওলার সমস্যা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন, অন্যদিকে সাদা মাছের ঘেরের মালিকরা সাশ্রয়ী মূল্যে মাছের খাবার পাচ্ছেন। একইসঙ্গে দরিদ্র শ্রমিক ও সংগ্রহকারীদের জন্য এটি আয়ের একটি নতুন উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

মডারেশনের পর প্রকাশিত হবে।

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশন শুরু, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
অর্থনীতি

জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশন শুরু, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু হয়েছে। বৈশ্বিক ভূরাজনীতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে।

১ মিনিট পড়া
ফ্রান্সে জ্বালানি তেলের চড়া দাম, ঝুঁকছেন চালকরা
অর্থনীতি

ফ্রান্সে জ্বালানি তেলের চড়া দাম, ঝুঁকছেন চালকরা

ফ্রান্সে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় চালকরা কম খরচে চলা বায়োথানল জ্বালানির দিকে ঝুঁকছেন। দেশটিতে বর্তমানে প্রতি লিটার বায়োথানল ৯৫ সেন্টে পাওয়া যাচ্ছে।

১ মিনিট পড়া
তিউনিসিয়ায় অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও বাড়ছে বোট নির্মাণ শিল্প
অর্থনীতি

তিউনিসিয়ায় অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও বাড়ছে বোট নির্মাণ শিল্প

তিউনিসিয়ায় অর্থনৈতিক মন্থরতা সত্ত্বেও বোট নির্মাণ শিল্প উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২৪ সালে একটি বাণিজ্য সংস্থার মাধ্যমে এই খাতটি পুনর্গঠিত হয়। এছাড়া দেশটিতে বোট তৈরির জন্য বিদেশি কারখানা স্থাপন করা হয়েছে।

১ মিনিট পড়া
সরকারি চাকরিজীবীদের প্রারম্ভিক মূল বেতন শতভাগ বৃদ্ধি
অর্থনীতি

সরকারি চাকরিজীবীদের প্রারম্ভিক মূল বেতন শতভাগ বৃদ্ধি

নতুন বেতনকাঠামোয় বাংলাদেশের সরকারি চাকরিজীবীদের প্রারম্ভিক মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন গ্রেডে নতুন এই মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER