বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
সাজেকে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ও পরে পুনঃস্থাপন
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সাজেক-বাঘাইহাট সড়কের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে সাজেক ভ্যালির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। পরে শনিবার বিকেলে পানি কিছুটা কমে এলে সেনাবাহিনী ও স্থানীয়দের সহায়তায় পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়।
২৯ আগস্ট পাহাড়ি জনপদ সাজেক ভ্যালির সঙ্গে দেশের অন্যান্য এলাকার সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তা আবার পুণঃস্থাপন করা হয়েছে। টানা বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল বলে জানা গেছে।
প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানির তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে সাজেক-বাঘাইহাট সড়কের বেশ কিছু নিচু এলাকা সম্পূর্ণভাবে প্লাবিত হয়। এর ফলে সাজেকের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যাতায়াত ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় ওই দিন বাঘাইহাট এলাকার সড়কের দুপাশে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। সেখানে আটকা পড়েছিল শত শত পর্যটকবাহী গাড়ি।
হঠাৎ এমন পরিস্থিতির মুখে পড়ে বিপাকে পড়েন সাজেকে অবস্থানরত ও সাজেকমুখী অসংখ্য পর্যটক। সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজট এবং অপেক্ষার কারণে যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
তবে পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হতে দেয়নি সংশ্লিষ্টরা। ২৯ আগস্ট বিকেলে যখন প্লাবিত এলাকার পানি কিছুটা কমে আসে, তখনই উদ্ধার ও মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
পানি কিছুটা নেমে যাওয়ার পর সেনাবাহিনী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা যৌথভাবে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় এগিয়ে আসেন। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহায়তায় সড়কের ওপর থেকে প্রতিবন্ধকতা দূর করা সম্ভব হয়।
সেনাবাহিনী ও স্থানীয়দের এই ঐকান্তিক সহায়তায় বিকেলে সাজেক-বাঘাইহাট সড়কে পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়। এর মাধ্যমে আটকে থাকা পর্যটকবাহী গাড়িগুলো গন্তব্যের দিকে রওনা দিতে পারে এবং সাজেকের সঙ্গে যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।
১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।
বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।